📌 ভূমি মন্ত্রণালয় জিও ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু করেছে কর্মকর্তাদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ ছয় জেলায় পাইলট প্রকল্পে ৬১০টি কার্যালয়ের ৯১৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আওতায় আনা হয়েছে। ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেন
ভূমি মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত এবং ভূমিসেবা কার্যক্রমে জবাবদিহি বৃদ্ধির লক্ষ্যে জিও ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু করেছে। নতুন এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় ভূমি দৃষ্টি অ্যাপের মাধ্যমে কর্মকর্তারা নির্ধারিত কর্মস্থলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে থাকলেই হাজিরা নিবন্ধন করতে পারবেন। ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় এই ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমি মন্ত্রণালয় জিও ফেন্সিং প্রযুক্তি চালু করেছে কর্মকর্তাদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে
- 📌 ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের ৬১০টি কার্যালয়ে পাইলট প্রকল্প চলছে
- 📌 পাইলট প্রকল্পে ৯১৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে
- 📌 ভূমি দৃষ্টি অ্যাপের মাধ্যমে চেক-ইন, চেক-আউট এবং ছুটির আবেদন করা যাবে
- 📌 কর্মস্থল ত্যাগ করলে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল সংকেত প্রদর্শিত হবে
📰 বিস্তারিত
ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, জিও ফেন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিটি ভূমি অফিসের চারপাশে ভার্চ্যুয়াল সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মোবাইল ফোনের অবস্থান নির্ধারিত সীমানার মধ্যে থাকলেই অ্যাপে উপস্থিতি নিবন্ধনের সুযোগ সক্রিয় হবে। ফলে কর্মস্থলের বাইরে অবস্থান করে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভূমি দৃষ্টি অ্যাপের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত কর্মস্থলে পৌঁছানোর পর চেক-ইন এবং কর্মদিবস শেষে চেক-আউট করতে পারবেন। ছুটির আবেদনও এই অ্যাপের মাধ্যমে দাখিল করা যাবে। কর্মস্থল ত্যাগ করলে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাল সংকেত দেখা যাবে। তবে কর্মকর্তারা অফিসে উপস্থিত থাকার পর সভা, তদন্ত বা সরকারি প্রয়োজনে বাইরে গেলে ‘সাইট ভিজিট’ অপশন ব্যবহার করে প্রস্থানের কারণ উল্লেখ করতে পারবেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমি অফিসে নাগরিকেরা সরাসরি উপস্থিত হয়ে ভূমিসেবা গ্রহণ করেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। তিনি বলেন, ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত মাঠ প্রশাসনের ভূমি কার্যালয়গুলোকে একই ডিজিটাল মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।
"মাঠ প্রশাসনের ভূমি কার্যালয়গুলোকে একই ডিজিটাল মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (ভূমি প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১০টি কার্যালয়, ৯১৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!