📌 বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে না। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে প্রস্তুতির অভাব, আইনশৃঙ্খলা প্রশিক্ষণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও বন্যার প্রভাবের কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ইসি সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলেও সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতির অভাবের কথা জানানো হয়
বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হবে না। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠকে প্রস্তুতির অভাব, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশিক্ষণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও বন্যার প্রভাবের কারণে নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করলেও সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতির অভাবের কথা তুলে ধরা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০২৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত**: সরকার ও ইসির বৈঠকে প্রস্তুতির অভাবের কারণে নির্বাচন এ বছর অনুষ্ঠিত হবে না।
- 📌 **প্রস্তুতির সময়সীমা অজানা**: সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোট করার জন্য প্রস্তুত হতে এক মাস সময় লাগতে পারে।
- 📌 **আইনশৃঙ্খলা প্রশিক্ষণ শেষ হয়নি**: পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শেষ করতে ডিসেম্বর নাগাদ সময় লাগবে।
- 📌 **শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা ও বন্যা**: শিক্ষাসচিব জানান, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা ও বন্যার প্রভাবের কারণে ভোট কেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
- 📌 **ইসির সম্ভাব্য তারিখ**: ইসি আগে ঘোষণা করেছিল, সম্ভাব্য ভোটের তারিখগুলো হলো ১২ নভেম্বর, ১৩ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর, ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল ও ২৭ মে।
- 📌 **বৈঠকে সরকারের অবস্থান**: মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নভেম্বর বা ডিসেম্বরে ভোট করার মতো প্রস্তুতি নেই।
- 📌 **ইসির ঘোষণা**: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে ইসি সরে এসেছে না, তবে প্রস্তুতির জন্য আরও সময় লাগতে পারে।
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষাসচিব, আইজিপিসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে সচিবেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার জন্য বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এ বছরের মধ্যে নির্বাচন করার মতো প্রস্তুতি নেই।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শেষ করতে ডিসেম্বর নাগাদ সময় লাগবে। উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে গত বুধবার থেকে সারা দেশে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু করেছে পুলিশ।
শিক্ষাসচিব জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার প্রভাব এখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পরীক্ষা রয়েছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার কারণে ভোট কেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
বৈঠকে সচিবেরা আরও জানান, এসএসসি পরীক্ষা শেষে ৬ জুন থেকে এইচএসসি শুরু হওয়ার আগেও ইউপি নির্বাচন শেষ করতে হবে। ইসির পক্ষ থেকে সম্ভাব্য তারিখগুলো ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতির অভাবের কথা জানানো হয়।
"আমি তিনটা শব্দ বলেছিলাম, এটা একটা সম্ভাব্য শিডিউল। এবং বলেছিলাম, এটা প্রাক্-প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে প্রস্তুত করা। আমরা বলেছিলাম যে ১৭ তারিখের বৈঠকের পর এটা চূড়ান্ত করা হবে।"
বৈঠকে উপস্থিত নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “এবার সম্ভাব্য সময়ের মধ্যকার ব্যবধান খুব সংক্ষিপ্ত। এত সংক্ষিপ্ত মধ্যে কীভাবে আমরা সব ব্যবস্থা করব, এটা নিয়েই আরও একটু কাজ করার দরকার আছে।” তবে তিনি জানান, ইসি সম্ভাব্য সময়সূচি থেকে সরে এসেছে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন), ঠাকুরগাঁও (উপনির্বাচন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, শিক্ষাসচিব, আইজিপি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ নভেম্বর, ১৩ ডিসেম্বর, ৩০ ডিসেম্বর, ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল, ২৭ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!