📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ: ২ লাখ টাকা ঘুষের ভিডিও সমালোচিত

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ: ২ লাখ টাকা ঘুষের ভিডিও সমালোচিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, হিসাবরক্ষক ও গাড়িচালক নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট টাকা হাতানোর পাশাপাশি কর্মীদের বেতন ১৬ মাস বকেয়া রয়েছে। ডিএই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, প্রকল্প পরিচালক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কর্মকর্তারা আউটসোর্সিংয়ের নামে টাকা হাতানোর পাশাপাশি কর্মীদের বেতন ১৬ মাস বকেয়া রয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্প কার্যালয়ে হিসাবরক্ষকের ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সমালোচিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ: সৌমিক আরাফাত ও জহিরুল ইসলামের মতো কর্মীদের দাবি, প্রকল্পের হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজা ও গাড়িচালক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট টাকা হাতানোর মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ দিচ্ছে।
  • 📌 ১৬ মাস বকেয়া বেতন: প্রকল্পে কর্মরত কর্মীদের বেতন ১৬ মাসেরও বেশি বকেয়া রয়েছে।
  • 📌 ৮ কর্মকর্তা বহিষ্কার: আগে দুর্নীতির দায়ে প্রকল্প পরিচালকসহ ৮ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
  • 📌 তদন্তের নির্দেশ: ডিএই কর্তৃপক্ষ ১৭ অক্টোবর তদন্তের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে। ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প: কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পটি স্থবির অবস্থায় রয়েছে। অবশিষ্ট ৪০০ কোটি টাকা মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে ভুয়া নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, প্রকল্প পরিচালক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কর্মকর্তারা আউটসোর্সিংয়ের নামে টাকা হাতানোর পাশাপাশি কর্মীদের বেতন ১৬ মাস বকেয়া রয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্প কার্যালয়ে হিসাবরক্ষকের ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও সমালোচিত হয়েছে। এসব ঘটনায় উপপরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।

কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ৩ হাজার কোটি টাকার উচ্চাভিলাষী প্রকল্পটি শুরু থেকেই নানা সমস্যায় পড়েছে। এর আগে দুর্নীতি-অনিয়মে জড়িত থাকায় সাবেক প্রকল্প পরিচালকসহ আটজন কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ভুয়া নিয়োগের সাম্প্রতিক অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর ডিএই কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে তদন্তের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ দেওয়ার জন্য একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

সৌমিক আরাফাত নামে এক ভুক্তভোগী ডিএইর মহাপরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের হিসাবরক্ষক মো. মাসুম রেজা ও এই প্রকল্পের পিডির গাড়িচালক শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি ‘শক্তিশালী সিন্ডিকেট’ তৈরি হয়েছে। সৌমিক আরাফাতকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অফিস সহায়ক নিয়োগ দেওয়ার জন্য মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকার চুক্তি হয়েছিল। সে অনুযায়ী গত ১৩ মে গাড়িচালক শফিকের স্ত্রী আকলিমা বেগমের সোনালী ব্যাংকের হিসাব থেকে ১ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল।

মাসুম রেজা দাবি করেছেন, ‘পিডির কথায় নিয়োগের বিষয়ে তারা আমার কাছে আসছিল। যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি, ওই টাকা ফেরত দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেছেন, খামারবাড়িতে টাকা ছাড়া কোনো নিয়োগ হয় না। পিডির গাড়িচালক শফিককে অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে অফিস সহায়ক হিসেবে কাজ পাওয়ার দাবি করেছেন পটুয়াখালীর বাউফলের জহিরুল ইসলাম। জহিরুলের অভিযোগ, নিয়োগপত্র ছাড়াই ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রকল্প কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন তিনি। গত রোববার প্রকল্প কার্যালয়ে কথা বলার সময় জহিরুল বলেন, গাড়িচালক শফিক চাকরি দেওয়ার জন্য তাঁর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেন। কিন্তু তিনি এ পর্যন্ত কোনো বেতন-ভাতা ও নিয়োগপত্র পাননি। পিডির কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও চাকরির জন্য দেওয়া ২ লাখ টাকা ফেরত পাননি।

"১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলেছি। আমরা চাই এ প্রকল্পের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসুক।"

— উপপরিচালক মো. মুরাদুল হাসান, ডিএই

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৌমিক আরাফাত, জহিরুল ইসলাম, মো. মাসুম রেজা, শফিকুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. মুরাদুল হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার কোটি টাকা (প্রকল্পের মোট বাজেট), ১৬ মাস (বকেয়া বেতন), ৮ জন (বহিষ্কৃত কর্মকর্তা), ২ লাখ টাকা (ঘুষ), ৪০০ কোটি টাকা (অবশিষ্ট বাজেট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖