📌 রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত থাকায় প্রতিষ্ঠানের করপোরেট সুশাসন ও নিয়ন্ত্রণে প্রশ্ন উঠছে। আইন, নিয়ন্ত্রক যোগাযোগ, করপোরেট সচিবালয় এবং পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকায় স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও জবাবদিহির প্রশ্ন জাগ্রত হয়েছে
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার মোহাম্মদ সাহেদুল আলম (সাহেদ আলম) এককভাবে প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি দায়িত্বে নিয়োজিত থাকায় বাংলাদেশের মোবাইল সেবা বাজারে প্রশ্ন উঠেছে। আইন, নিয়ন্ত্রক যোগাযোগ এবং করপোরেট সচিবালয়ের দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকায় করপোরেট সুশাসনের প্রতি সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাহেদ আলমের একক নিয়ন্ত্রণ**: রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার হিসেবে সাহেদ আলম একই সঙ্গে কোম্পানি সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন, যা করপোরেট সুশাসনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
- 📌 **দায়িত্বের কেন্দ্রীকরণ**: আইন, নিয়ন্ত্রক যোগাযোগ, করপোরেট সুশাসন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমের দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে থাকায় স্বার্থের দ্বন্দ্বের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 **অনিয়মের অভিযোগ**: ২০২৫ সালের শেষের দিকে আজিয়াটা গ্রুপের হুইসেলব্লোয়িং চ্যানেলে সাহেদ আলমের বিরুদ্ধে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
- 📌 **কাঠামোগত সমস্যা**: ২০১৯ সালে সাহেদ আলমের নিয়োগ এবং তিনজন স্থানীয় চিফ অফিসারের নিয়োগ আজিয়াটার করপোরেট গভর্ন্যান্সের ব্যত্যয় হিসেবে চিহ্নিত হয়। পরবর্তীতে ২২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সংশোধিত নিয়োগ মডেল কার্যকর হয়।
📰 বিস্তারিত
রবি আজিয়াটা পিএলসির প্রকাশিত নথি অনুযায়ী, সাহেদ আলম ২০১০ সালের জুলাইয়ে আইন বিভাগের প্রধান হিসেবে প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন। পরবর্তীতে তিনি আইন ও নিয়ন্ত্রকবিষয়ক নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০১৯ সালের জুনে চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই সময় থেকে তিনি কোম্পানি সচিবের দায়িত্বও পালন করছেন। এই দায়িত্বের কেন্দ্রীকরণের ফলে করপোরেট সুশাসনের প্রশ্ন উঠেছে, কারণ কোম্পানি সচিবের দায়িত্বের সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদ, করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক পরিপালন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের বিষয় সরাসরি জড়িত।
সাহেদ আলমের দায়িত্বের ব্যাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, আইন বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে আইনি ঝুঁকি, চুক্তি, মামলা ও আইনগত পরামর্শের বিষয় রয়েছে। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক কার্যক্রমের সঙ্গে সরকারি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগাযোগের বিষয়ও যুক্ত। এসব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের একাধিক ক্ষেত্র যদি একই কর্মকর্তার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে প্রতিটি সিদ্ধান্তের স্বাধীন যাচাই ও জবাবদিহির প্রশ্ন জাগ্রত হয়।
২০১৯ সালে সাহেদ আলমের নিয়োগ এবং তিনজন স্থানীয় চিফ অফিসারের নিয়োগ আজিয়াটার করপোরেট গভর্ন্যান্সের ব্যত্যয় হিসেবে চিহ্নিত হয়। পরবর্তীতে ২২ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে রবি বোর্ড কর্তৃক সংশোধিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ মডেল অনুমোদিত হয়, যা ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ থেকে কার্যকর হয়। তবে, ২০২৫ সালের শেষের দিকে সাহেদ আলমের বিরুদ্ধে স্বার্থের দ্বন্দ্বের অভিযোগ আজিয়াটা গ্রুপের হুইসেলব্লোয়িং চ্যানেলের মাধ্যমে দায়ের করা হলেও, এখনও কোনো দৃশ্যমান ফলাফল বা সিদ্ধান্ত দেখা যায়নি।
"আমাদের প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মকর্তার হাতে এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব কেন্দ্রীভূত থাকলে স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও জবাবদিহির প্রশ্ন অবশ্যই জাগ্রত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (রবি আজিয়াটা পিএলসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সাহেদুল আলম (সাহেদ আলম)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি দায়িত্ব (কোম্পানি সচিব, চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার, আইন বিভাগের প্রধান), ২২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১ জানুয়ারি ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!