📌 বাংলাদেশের জীবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নয়নে তরুণ গবেষকদের সংগঠন ‘এনওয়াইবিবি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের ২৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্তৃত এই নেটওয়ার্কের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়েছে সপ্তম আন্তর্জাতিক তরুণ জীবপ্রযুক্তিবিদ সম্মেলন ও ফিউচার বায়োটেকনোলজি সামিট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের এক প্রান্তে কয়েকজন সদস্য ব্যানার লাগাচ্ছেন, অন্যদিকে অন্যরা চেয়ার সাজাচ্ছেন আর এলইডি ডিসপ্লেতে তথ্যচিত্র চালিয়ে পরীক্ষা করছেন। চারদিকে ব্যস্ততা আর উদ্যম। এসবই ঘটছে ‘নেটওয়ার্ক অব ইয়ং বায়োটেকনোলজিস্ট অব বাংলাদেশ’ (এনওয়াইবিবি)-এর সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে। প্রায় ১৫ হাজার সদস্যের এই সংগঠন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবপ্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের মধ্যে শক্তিশালী যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের ২৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে এনওয়াইবিবির স্টুডেন্ট চ্যাপটার
- 📌 সংগঠনের সদস্যরা গবেষণা, সম্মেলন আয়োজন, জার্নাল ক্লাব পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষার দিকনির্দেশনা প্রদান করেন
- 📌 সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়েছে সপ্তম আন্তর্জাতিক তরুণ জীবপ্রযুক্তিবিদ সম্মেলন ও ফিউচার বায়োটেকনোলজি সামিট
- 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থাপন করেছেন ডায়াবেটিস সম্পর্কিত জেনেটিক পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা
- 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছেন উদ্ভিদের জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
এনওয়াইবিবির সদস্যরা শুধু গবেষণা পরিচালনাই করেন না, তারা নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জীবপ্রযুক্তি ক্ষেত্রকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সংগঠনের আন্তর্জাতিক শাখার তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মহীন যুক্তরাষ্ট্রের ফাইজার ফার্মাসিউটিক্যালসে কর্মরত বিজ্ঞানী। তিনি বলেন, ‘এই সংগঠনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশি জীবপ্রযুক্তিবিদদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আদনান মান্নান বলেন, এনওয়াইবিবির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যেমন একে অপরকে চিনতে পারছেন, তেমনি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের সঙ্গেও যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হচ্ছে। এটি পারস্পরিক সহযোগিতা ও মেলবন্ধনের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এনওয়াইবিবির সদস্য সংখ্যা এখন প্রায় ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সংগঠনটি তরুণদের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্পর্কে জানাতে নিয়মিত নোবেল বিজ্ঞান বক্তৃতার আয়োজন করে। জীবপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রে পিছিয়ে না থাকার জন্য এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংগঠনের সদস্যরা।
‘এনওয়াইবিবি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে জীবপ্রযুক্তি শিক্ষার বিকাশ ঘটানো এবং জীবপ্রযুক্তি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করা।’ — মুশতাক ইবনে আয়ুব, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, এনওয়াইবিবি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল মহীন, আদনান মান্নান, মুশতাক ইবনে আয়ুব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সদস্য সংখ্যা ১৫ হাজার, স্টুডেন্ট চ্যাপটার ২৭টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!