📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬ পাসের বিরোধিতা করেছে বিরোধী দল। জামায়াত নেতৃত্বাধীন দলটির অভিযোগ, বিলটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মানবাধিকার কমিশনকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে প্রণীত। সাংসদীয় কমিটির বৈঠকও বর্জন করেছে তারা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬ পাসের বিরোধিতা করে বিরোধী দল। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলটির অভিযোগ, সরকার একতরফাভাবে বিলটি পাস করতে চাইছে। আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে মানবাধিকার বিল নিয়ে আলোচনা বর্জন করেছে বিরোধী দল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬-এর বিরোধিতা করেছে বিরোধী দল
- 📌 জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের অভিযোগ, বিলটি আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ
- 📌 সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে মানবাধিকার বিল নিয়ে আলোচনা বর্জন করেছে বিরোধী দল
- 📌 আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন
- 📌 বিরোধী দলের অভিযোগ, কমিটির স্বাধীন মতামত দেওয়ার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬-এর বিরোধিতা করেছে বিরোধী দল। জামায়াতে ইসলামীর সাংসদীয় মুখপাত্র মো. নাজিবুর রহমান জানান, সরকার একতরফাভাবে বিলটি পাস করতে চাইছে। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মানবাধিকার আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমান বিলটি সেই সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বৈঠক বর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করে নাজিবুর রহমান বলেন, সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কমিটিকে রাবার স্ট্যাম্পের মতো করে ফেলা হয়েছে। দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতাকে তিনি হাত-পা বেঁধে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেন।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০২৬ উত্থাপন করেন। দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। বিরোধী দলের অভিযোগ, এতে কমিটির সদস্যদের স্বাধীন মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই।
"সাংসদীয় কমিটিটাকে রাবার স্ট্যাম্পের মতো করে ফেলা হয়েছে। যার কারণে আমরা এখানে থাকতে পারছি না, আমরা এখান থেকে এই বৈঠকটাকে বর্জন করতে বাধ্য হয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাজিবুর রহমান (জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের সাংসদীয় মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!