📌 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ই-রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে। তবে অভ্যন্তরীণ আটটি জোনে নির্দিষ্ট নিয়মে এসব যানবাহন চলতে পারবে
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ই-রিকশা বা ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। তবে অভ্যন্তরীণ আটটি জোনে নির্দিষ্ট নিয়মে এসব যানবাহন চলতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ই-রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হবে
- 📌 অভ্যন্তরীণ আটটি জোনে ই-রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে
- 📌 ই-রিকশার যাত্রী ধারণ ক্ষমতা হবে দুই ও চারজন
- 📌 ছয়জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশাকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে না
- 📌 ই-রিকশা নির্মাণে বুয়েট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হবে
- 📌 নীতিমালাটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে
- 📌 মালয়েশিয়া বাংলাদেশের সড়কে রাবার কার্পেটিং প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ই-রিকশা চলাচল সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। তিনি বলেন, ‘মূল সড়কে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আটটি জোন করে তাদের অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।’ প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ই-রিকশার যাত্রী ধারণ ক্ষমতা দুই ও চারজন পর্যন্ত সীমিত রাখা হবে। ছয়জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশাকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ই-রিকশা নির্মাণে বুয়েট ও ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির সার্টিফাইড ডিজাইন অনুযায়ী যানবাহন তৈরির কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, দুই, চার ও ছয়জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশাকে যথাক্রমে গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ রাস্তায় চলার অনুমতি দেওয়া হবে।
নীতিমালা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই নীতিমালাটি কার্যকর করা হবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘আইনের আলোকে এই নীতিমালাটা দিলেই ইলেকট্রিক রিকশাগুলো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসবে।’
‘মূল সড়কে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আটটি জোন করে তাদের অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটি তিনটি ভাগে ভাগ থাকবে।’
আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মালয়েশিয়ার সড়কে ব্যবহৃত রাবার কার্পেটিং প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়া বাংলাদেশে রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারের কারিগরি সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার রাস্তাগুলোতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কিন্তু তাদের কার্পেটিং সহজে নষ্ট হয় না। তারা কার্পেটিংয়ের সঙ্গে রাবার ব্যবহার করে।’
বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল খাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (জোন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!