📌 চট্টগ্রামের লালদিয়া টার্মিনাল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন মাইলফলক হিসেবে আবির্ভূত হবে। সরকারের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এটি ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে
চট্টগ্রামের লালদিয়া টার্মিনাল দেশের লজিস্টিকস ব্যবস্থা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া চরে এপিএম টার্মিনালস লালদিয়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লালদিয়া টার্মিনাল বছরে প্রায় ১০ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে সক্ষম হবে
- 📌 বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে
- 📌 প্রকল্পটির মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক লজিস্টিকস হাবে রূপান্তরের ভিত্তি তৈরি হবে
- 📌 টার্মিনালটিতে থাকবে ৬০০ মিটার দীর্ঘ জেটি এবং সাতটি শিপ-টু-শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন
- 📌 প্রকল্পটির বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার
📰 বিস্তারিত
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার সরকারের লক্ষ্যে এই টার্মিনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, ‘লালদিয়া পোর্টের গুরুত্ব হচ্ছে, এটি লজিস্টিকস, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং এই অঞ্চল ও বাংলাদেশের উন্নয়নে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।’
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, চট্টগ্রামকে দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে। তবে এটি শুধু ঘোষণা দিয়ে সম্ভব নয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই তা গড়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, বন্দর, লজিস্টিকস ও শিল্প অবকাঠামোর সম্প্রসারণ চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে শহরটির অবদান আরও বাড়াবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম বলেন, লালদিয়া টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বাংলাদেশের বন্দর ও লজিস্টিকস খাতের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও আধুনিক টার্মিনাল পরিচালনার ক্ষেত্রে নতুন যুগে প্রবেশ করবে।
এপিএম টার্মিনালস লালদিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রমেশ ডেভিড জানান, তিন বছরের মধ্যে টার্মিনালটি বিশ্বের অন্যতম আধুনিক কনটেইনার টার্মিনালে পরিণত হবে। তিনি বলেন, টার্মিনালটিতে প্রায় ৬০০ মিটার দীর্ঘ জেটি এবং সাতটি শিপ-টু-শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন থাকবে। এ ছাড়া থাকবে ৩০টি রিমোটলি পরিচালিত গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং প্রায় ৪৫টি বৈদ্যুতিক ট্রাক।
"এ বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতি বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর আস্থার প্রতিফলন। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। ফলে বাণিজ্য সম্প্রসারণে চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া চর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শেখ রাবিউল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২ শতাংশ, ১০ লাখ কনটেইনার, ৬০০ মিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!