📌 প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, জিপিএ-৫-এর কৃত্রিম প্রবণতা বন্ধ করে শিক্ষাব্যবস্থায় মেধা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে পুনর্গঠন করা হবে। ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেখানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে মিথ্যা বার্তামুক্ত করে মেধা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে পুনর্গঠন করতে চায়। তিনি জানান, ২০২৮ সালের শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের শিক্ষাক্রমে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, জিপিএ-৫-এর কৃত্রিম প্রবণতা বন্ধ করে শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে
- 📌 ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে
- 📌 আগামী বছর থেকেই চতুর্থ শ্রেণিতে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’ বিষয় যুক্ত হবে
- 📌 শিক্ষার্থীদের রোবটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে
- 📌 অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান, সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, শিক্ষা খাতই তাঁর সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’
মাহদী আমিন জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে পরিমার্জন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হবে। তিনি বলেন, ‘২০২৮ শিক্ষাবর্ষের কারিকুলামে ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। এতে দেশে একটি টেকসই ও যুগান্তকারী শিক্ষাক্রম রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে।’
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করা হবে। চতুর্থ শ্রেণিতে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’ বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের রোবটিকস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
‘ফ্যাসিবাদী আমলে পরিসংখ্যান ভালো দেখানোর জন্য কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫-এর বন্যা ভাসিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েও পাস করিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি ছিল। আমরা সেই আত্মঘাতী পথ বন্ধ করেছি।’
মাহদী আমিন জানান, সরকার অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগের সরকার এসব শিক্ষার্থীকে নিয়ে ভাবেনি। কিন্তু আমরা তাদের জন্য বিশেষ পলিসি তৈরি করছি। এসব তরুণকে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার, স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ভোকেশনাল কোর্সে যুক্ত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, কর্মসংস্থানের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় কর্মক্ষম তরুণ-তরুণীরা তাঁদের দক্ষতার বিবরণ দিয়ে নিবন্ধন করতে পারবেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহদী আমিন
- 👥 সরকারের প্রধান ব্যক্তি: তারেক রহমান
- 🔢 নতুন বিষয়ের সংখ্যা: ৪টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!