📌 কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একতলা ও দোতলা ভবন নির্মাণের কারণে মাত্র ৫২ শতক জমিতে খেলার মাঠ সংকুচিত হয়েছে। উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০টিতে একাধিক ভবন নির্মাণের ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা কর্মকর্তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নকশা অনিয়মের দিকে সতর্ক করেছেন
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একাধিক ভবন নির্মাণের কারণে মাঠের আকার সংকুচিত হয়ে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ব্যাহত হচ্ছে। গত সোমবার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে, মাত্র ৫২ শতক জমিতে দুটি ভবন নির্মাণের ফলে খেলার মাঠের আকার কমে গেছে। উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০টি বিদ্যালয়ে একাধিক ভবন নির্মাণের কারণে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সুযোগ হ্রাস পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫২ শতক জমিতে কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একতলা ও দোতলা ভবন নির্মাণের ফলে খেলার মাঠ সংকুচিত হয়েছে
- 📌 উপজেলার ১১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০টিতে একাধিক ভবন নির্মাণের কারণে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ব্যাহত
- 📌 ১৯৯৫ সালে নির্মিত পুরাতন ভবনগুলোর ফাউন্ডেশন দুর্বল হওয়ায় এখনো শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলছে
- 📌 হোসেনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান বলেছেন, ভবন নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নকশা অনিয়মের দিকে নজর দিতে হবে
- 📌 শিক্ষার্থীরা মাঠ ছোট হওয়ায় খেলাধুলা করতে পারছেন না, বলেছেন কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মৃধা, সানজিদা আক্তার ও জাকিয়া
📰 বিস্তারিত
কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান বিপ্লব জানান, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-২ (পিইডিপি-২) এর আওতায় একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে পিইডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় ওই ভবনকে দোতলা করার চেষ্টা করা হলেও ফাউন্ডেশন না থাকায় সম্ভব হয়নি। ফলে ২০২০ সালে পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন নির্মাণ করতে হয়েছে। টিনশেডের পুরাতন ভবনটি ভেঙে ফেলা হয় এবং সেই জায়গাটি বর্তমানে ব্যক্তিমালিকানায় রয়েছে।
হোসেনপুর উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস বলেন, ওই সময়ে শিক্ষা কার্যালয়ের চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। তবে ফাউন্ডেশন দুর্বল হওয়ায় ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তারাপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালমা আক্তার নিপা জানান, তাদের বিদ্যালয়েও একাধিক ভবন নির্মাণের কারণে মাঠ ছোট হয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা ভালোমতো খেলাধুলা করতে পারছেন না।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ‘স্কুলের মাঠটা আরও বড় হলে খেলাধুলা করতে আমাদের সুবিধা হতো’। গড়মাছুয়া, পিপলাকান্দি, ২ নং ও হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একাধিক ভবন নির্মাণের কারণে মাঠের আকার সংকুচিত হয়েছে।
"শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ বিবেচনা করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। ভবন নির্মাণের নকশায় অনিয়ম হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা উচিত।"
"মাঠ ছোট হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ভালোমতো খেলাধুলা করতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা, আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়ন, কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাদিকুর রহমান (উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা), মাহফুজুর রহমান বিপ্লব (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), সালমা আক্তার নিপা (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), বিদ্যুৎ কুমার দাস (উপজেলা প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ শতক (জমির আকার), ১১০টি (প্রাথমিক বিদ্যালয়), ২০টি (ভবন নির্মাণের কারণে মাঠ সংকুচিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!