📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে ৬০০ মিটার ঝুঁকিতে, ধসের পরিমাণ ২০০ মিটারেরও বেশি

ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে ৬০০ মিটার ঝুঁকিতে, ধসের পরিমাণ ২০০ মিটারেরও বেশি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে চারটি স্থানে ২০০ মিটারেরও বেশি অংশ ধসে পড়েছে। ৬০০ মিটারের বাঁধ ঝুঁকিতে পড়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে তীব্র ধসের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশ ধসে পড়েছে। ফলে বাঁধের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ ঝুঁকিতে পড়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ২০০ মিটারেরও বেশি অংশ ধসে পড়েছে।
  • 📌 ৬০০ মিটারের বাঁধ ঝুঁকিতে পড়েছে, যার মধ্যে চারটি স্থানে ধসের ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই তিন দফায় বাঁধে ধসের ঘটনা ঘটেছিল, কিন্তু এবার দুই মাসের ব্যবধানে আবার ধসের ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা কবিরুল ইসলাম বলেছেন, পানি বাড়ছে এবং ধসের হারের কারণে বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার রাতে চিলমারী উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে ৩৫ মিটার ধসের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে এক সপ্তাহে তিনটি স্থানে ফাটলসহ ধসের ঘটনা ঘটায় বাঁধের প্রায় ৬০০ মিটার অংশ ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গত ১, ১৬ ও ২০ জুলাই তিন দফায় ব্রহ্মপুত্রের ডান তীর রক্ষা বাঁধে ধসের ঘটনা ঘটেছিল। পরে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ধস ঠেকানোর উদ্যোগ নেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধানে আবার বড় অংশজুড়ে ধসের ঘটনা ঘটেছে।

গত শুক্রবার দুপুরে চিলমারী ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর এলাকা পরিদর্শন করেছেন পাউবোর রংপুর বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত মেরামতকাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন।

বাঁধের কংক্রিটের ব্লক নদীতে ধসে পড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা কাজ শুরু না করলে তীরবর্তী এলাকার বহু বাড়িঘর ও আবাদি জমি নদে বিলীন হয়ে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা কবিরুল ইসলাম বলেন, “পানি বাড়ছে এবং ভাঙনের হারে দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বাঁধের বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।"

"প্রায় ৬০০ মিটার অংশজুড়ে চারটি স্থানের কোথাও ফাটল আবার কোথাও ধস দেখা দিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূল্যায়ন করছি। মূল্যায়ন শেষে মোট দূরত্ব বলা যাবে। প্রয়োজনীয় মেরামতকাজের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলেই কাজ শুরু করা হবে।"

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেছেন, আপাতত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চিলমারী উপজেলা, কুড়িগ্রাম; কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কবিরুল ইসলাম (স্থানীয় বাসিন্দা), রাকিবুল হাসান (পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ মিটার (ঝুঁকিতে পড়া বাঁধ), ২০০ মিটার (ধসের পরিমাণ), ৩৫ মিটার (ব্রহস্পতিবার রাতের ধস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖