📌 বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম সরকারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে 'প্রহসনের নজির' বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মেধাবী এক হাজার তরুণকে আট মাসের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে নিয়োগপত্র না দিয়ে বঞ্চিত করা হয়েছে। অধিকাংশ বাদ পড়ার বিরুদ্ধে কোনো আইনি অভিযোগ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে
বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম সরকারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে 'প্রহসনের নজির' বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মেধাবী এক হাজার তরুণকে আট মাসের অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে নিয়োগপত্র না দিয়ে বঞ্চিত করা হয়েছে। ঢাকায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তার ফেসবুক পোস্টে এই দাবি উত্থাপন করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে 'চূড়ান্ত প্রহসনের নজির' বলে সমালোচনা করেছেন নাহিদ ইসলাম
- 📌 লিখিত পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপ সফল করে মেধাবী অন্তত ১০০০ তরুণকে আট মাসের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে নিয়োগপত্র না দেওয়া হয়েছে
- 📌 বাদ পড়া অধিকাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা জিডি তথ্য নেই
- 📌 নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের কারণে নিরপরাধ নাগরিকদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে
- 📌 তিনি নিয়োগ বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশন মানদণ্ডের স্বচ্ছতা দাবি করেছেন
📰 বিস্তারিত
বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম সরকারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে 'প্রহসনের নজির' বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষিত বেকারদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগেও সরকার 'চূড়ান্ত প্রহসনের নজির' স্থাপন করেছে। নাহিদ ইসলামের মতে, গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। লিখিত ও অন্যান্য পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দিয়েও তারা আট মাস ধরে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার হয়রানি ও অনিশ্চয়তার শিকার হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তাদেরকে নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও উল্লেখ করেছেন, বাদ পড়া অধিকাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির তথ্য নেই। তাদের বিরুদ্ধে অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি দাবি করেছেন, কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নাহিদ ইসলামের মতে, মেধা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফল করে যদি কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি দাবি করেছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনসম্মত অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে এবং বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশন মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করতে হবে।
"শিক্ষিত বেকারদের সবশেষ আশ্রয়স্থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের সরকার। গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ (মেধাবী তরুণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!