📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদেশে পড়াশোনার সঙ্গে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ ও আয় কেমন জানেন?

বিদেশে পড়াশোনার সঙ্গে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ ও আয় কেমন জানেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদেশে উচ্চশিক্ষারত শিক্ষার্থীরা খণ্ডকালীন কাজের মাধ্যমে দৈনন্দিন খরচ মেটানোর পাশাপাশি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিতে কাজের সময়সীমা ও আয়ভেদে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের মাধ্যমে নিজেদের ব্যয়ভার বহন করেন। এসব দেশে শিক্ষার্থীদের কাজের সুযোগ ও আয় নির্ভর করে স্থানীয় স্টুডেন্ট ভিসার শর্তাবলির ওপর। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও জার্মানিতে শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজের নিয়মাবলি ও সম্ভাব্য আয় তুলে ধরা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থীরা সাধারণত সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্যাম্পাসের ভেতরে
  • 📌 যুক্তরাজ্যে ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি রয়েছে; ছুটির সময় পূর্ণকালীন কাজ করা যায়
  • 📌 কানাডায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করতে পারেন
  • 📌 অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার সময় দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজের সুযোগ রয়েছে
  • 📌 জার্মানিতে বছরে সর্বোচ্চ ১৪০ পূর্ণ দিন বা ২৮০ অর্ধদিবস কাজের অনুমতি রয়েছে
  • 📌 যুক্তরাজ্যে টিউশনির মাধ্যমে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩০ পাউন্ড আয় করা সম্ভব
  • 📌 কানাডায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহকারী হিসেবে ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৪০ কানাডীয় ডলার আয় করা যায়
  • 📌 অস্ট্রেলিয়ায় খুচরা বিক্রি ও হসপিটালিটি খাতে ঘণ্টায় ২৭ থেকে ৩০ অস্ট্রেলীয় ডলার আয় করা সম্ভব

📰 বিস্তারিত

বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় শিক্ষার্থীদের জন্য খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দেশভেদে কাজের সময়সীমা ও আয়ভেদে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। যুক্তরাষ্ট্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে প্রায় ২০ ঘণ্টা কাজের অনুমতি দেওয়া হয়, যার বেশির ভাগই ক্যাম্পাসের ভেতরে সম্পন্ন করতে হয়। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা কাজের সুযোগ রয়েছে। তবে সরকারি ছুটিতে শিক্ষার্থীরা পূর্ণকালীন কাজ করতে পারেন।

কানাডায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করতে পারেন। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সহকারী হিসেবে ঘণ্টায় ২৫ থেকে ৪০ কানাডীয় ডলার আয় করা সম্ভব। এছাড়া গবেষণা সহকারী হিসেবেও উল্লেখযোগ্য আয় করা যায়। অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য খণ্ডকালীন কাজের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি আয় করা সম্ভব। দেশটিতে খুচরা বিক্রি ও হসপিটালিটি খাতে ঘণ্টায় ২৭ থেকে ৩০ অস্ট্রেলীয় ডলার আয় করা যায়।

জার্মানিতে শিক্ষার্থীরা বছরে সর্বোচ্চ ১৪০ পূর্ণ দিন বা ২৮০ অর্ধদিবস কাজ করতে পারেন। সেমিস্টারের সময় সাধারণত সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না। তবে দেশটির তুলনামূলক উচ্চ ন্যূনতম মজুরি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

"বিদেশে পড়াশোনার সময় খণ্ডকালীন কাজের আয় দিয়ে সাধারণত বাজার-সদাই, যাতায়াত ও মোবাইল বিলের মতো নিয়মিত খরচ সামলানো যায়। তবে পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ মূলত টিউশন ফি ও বাসাভাড়ার মতো বড় খরচে ব্যবহার করা উচিত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ ঘণ্টা (যুক্তরাষ্ট্র), ২৪ ঘণ্টা (কানাডা), ৪৮ ঘণ্টা (অস্ট্রেলিয়া), ১৪০ দিন (জার্মানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖