📌 বেনাপোল চেকপোস্টে সোমবার ভোরে চুরির ঘটনা ঘটে। চুরি হওয়া পণ্য উদ্ধার হলেও চোর পালিয়ে যায়। কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু কর্মকর্তা পণ্য চুরি ও যাত্রীদের হয়রানি করছেন
যশোরের বেনাপোল চেকপোস্টে সোমবার ভোরে চুরির ঘটনা ঘটে। সীমান্তের নিরাপত্তাব্যবস্থায় সক্রিয় থাকা কাস্টমস ও আনসার সদস্যদের নজরে এ ঘটনা আসে। চুরি হওয়া পণ্য উদ্ধার করা হলেও চোরের পরিচয় ও অবস্থান জানা যায়নি। ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু কর্মকর্তা পণ্য চুরি ও যাত্রীদের হয়রানি করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সোমবার ভোরে বেনাপোল চেকপোস্টে চুরির ঘটনা ঘটে, পণ্য উদ্ধার হলেও চোর পালিয়ে যায়
- 📌 চেকপোস্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সত্ত্বেও একজন চোর সীমান্ত পেরিয়ে চুরি করে পণ্য নিয়ে পালায়
- 📌 অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু কর্মকর্তা ও সিপাহী পণ্য চুরি ও যাত্রীদের হয়রানি করছেন
- 📌 মিজানুর রহমান নামে এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যাত্রীদের হয়রানি ও বৈধ পণ্য রেখে দেওয়ার অভিযোগ
- 📌 ২০২৬ সালের আগের ঘটনায় কাস্টমস কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কারাগারে যান এবং শামীমা সুলতানা আটক হন
📰 বিস্তারিত
বেনাপোল চেকপোস্টে সোমবার ভোরে চুরির ঘটনা ঘটে। সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সক্রিয় থাকা কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও আনসার সদস্যদের নজরে এ ঘটনা আসে। চুরি হওয়া পণ্য উদ্ধার করা হলেও চোরের পরিচয় ও অবস্থান জানা যায়নি। ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের যোগসাজশের কথা উঠেছে। একজন ব্যক্তিকে দিয়ে পণ্য বের করে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু দায়িত্বে থাকা একজন আনসার সদস্য পণ্য আটকে দেন। তবে ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার সঙ্গে মিজানুর রহমান নামে এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার নামও জড়িত থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চেকপোস্টের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা চুরির বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না এবং অভিযোগের বিষয়ে কমিশনারকে জিজ্ঞাসা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এই ঘটনার পাশাপাশি, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে বৈধ পণ্য রেখে দেওয়ার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। অভিযোগ রয়েছে যে, কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও সিপাহীদের কেউ কেউ পণ্য চুরি ও যাত্রীদের হয়রানি করছেন। যাত্রীরা মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ করেছেন এবং তারা প্রতিকার দাবি করেছেন। তবে মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি বলে জানা গেছে।
২০২৬ সালের আগের ঘটনায়, কাস্টমস কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কারাগারে যান এবং শামীমা সুলতানা নামে এক রাজস্ব কর্মকর্তা ঘুষের টাকা নেওয়ার সময় আটক হন। এছাড়াও, পাসপোর্টধারী যাত্রীদের কাছ থেকে রাতের আঁধারে পণ্য চুরি করার অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
"চুরির বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না। আপনারা কাস্টমস হাউসে গিয়ে কমিশনার সাহেবের সঙ্গে আলাপ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, ইন্দ্রজিৎ, শামীমা সুলতানা, আনসার সদস্য, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (চোর), ২ (আটক কর্মকর্তা: ইন্দ্রজিৎ ও শামীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!