📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের অভিযানে এনসিটিবিতে ফাঁস দর ও সিন্ডিকেটিং অভিযোগের বিস্তারিত নথি সংগ্রহ

দুদকের অভিযানে এনসিটিবিতে ফাঁস দর ও সিন্ডিকেটিং অভিযোগের বিস্তারিত নথি সংগ্রহ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুদক এনসিটিবির মতিঝিল কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ফাঁস দর, সিন্ডিকেটিং ও ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগের নথি সংগ্রহ করেছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রাক্কলিত দর ফাঁসের ঘটনা ও ঠিকাদারদের সমঝোতা নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে

দুদক এনসিটিবির মতিঝিল কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ফাঁস দর, সিন্ডিকেটিং ও ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগের নথিপত্র সংগ্রহ করেছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) এনসিটিবির কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুদকের অভিযান: এনসিটিবির মতিঝিল কার্যালয়ে ফাঁস দর ও সিন্ডিকেটিং অভিযোগের তদন্তে অভিযান চালানো হয়েছে।
  • 📌 সংগ্রহকৃত নথিপত্র: প্রাথমিক প্রাক্কলন কপি, দাপ্তরিক মূল্যতালিকা, ৪২৩তম বোর্ড সভার কার্যবিবরণীসহ আরও রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
  • 📌 অতিরিক্ত ব্যয়: প্রাক্কলিত দর ফাঁস ও ঠিকাদারদের সমঝোতার কারণে মাধ্যমিক বই ছাপাতে ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে।
  • 📌 বই ছাপার পরিমাণ: ২০২৭ সালের জন্য প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানো হবে, যার মধ্যে ২২ কোটি মাধ্যমিক স্তরের।
  • 📌 দর বৃদ্ধি: মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের প্রতি ফর্মার দর ২০২৬ সালে ২ টাকা ৩১ পয়সা থেকে ২০২৭ সালে বেড়েছে ৩ টাকা ৩২ পয়সা।

📰 বিস্তারিত

দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. তানজির আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযানকালে এনসিটিবি থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে প্রাথমিক প্রাক্কলনের কপি, দাপ্তরিক মূল্যতালিকা এবং ৪২৩তম বোর্ড সভার কার্যবিবরণী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য আরও কিছু রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রথম আলোর ১৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঠিকাদারদের প্রাক্কলিত দর আগেই জানতে পারা যায় এবং তারা সে অনুযায়ী দরপত্র দাখিল করে কাজ বাগিয়ে নিয়েছে। মাঝপথে প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে সরকার একটি প্রাক্কলিত দর ঠিক করেছিল, কিন্তু তা ফাঁস হয়ে গেলে ঠিকাদাররা তা বৃদ্ধির জন্য চাপ দেন। এনসিটিবি সেটি মেনে নিয়ে প্রাক্কলিত দর বাড়িয়ে দেয়। পরে ঠিকাদারদের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং কাজ ভাগাভাগি করা হয়।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রাক্কলিত মূল্যবৃদ্ধি ও কাজ ভাগাভাগির কারণে শুধু মাধ্যমিকের বই ছাপাতে বাড়তি ব্যয় হবে ২৫২ কোটি টাকা। সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে পাঠ্যবই দেয়। ২০২৭ সালের জন্য ছাপানো হবে প্রায় ৩১ কোটি বই, যার মধ্যে ২২ কোটি মাধ্যমিক স্তরের। বই ছাপার কাজে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

বই ছাপার প্রক্রিয়া শুরু হয় এনসিটিবির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারীর সময়ে। প্রাথমিক স্তরের বইয়ের জন্য প্রতি ফর্মা কাগজের দাপ্তরিক প্রাক্কলিত গড় দর ছিল ৩ টাকা ২৬ পয়সা, মাধ্যমিক স্তরের জন্য ২ টাকা ৮৫ পয়সা।

"প্রাক্কলিত দর ঠিক করা হয় সংশ্লিষ্ট সংস্থার কমিটির মাধ্যমে। কোনো ঠিকাদার প্রাক্কলিত দরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি দর দাখিল করলে তিনি প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়ে যান। এ কারণে প্রাক্কলিত দর জানতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মতিঝিল, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তানজির আহমেদ (দুদকের সহকারী পরিচালক), মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী (সাবেক এনসিটিবি চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫২ কোটি টাকা (অতিরিক্ত ব্যয়), ৪২৩তম বোর্ড সভা, ৩১ কোটি বই (২০২৭), ২২ কোটি মাধ্যমিক বই, ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা (মোট সম্ভাব্য ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖