📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, সরকারি চাকরিতে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয় না। তিনি যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পুনরুজ্জীবন ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয় না বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা: সরকারি চাকরিতে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয় না — ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
- 📌 ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ: ঢাকার জাতীয় সংসদে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অল-পার্টি গ্রুপের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল (অপসানা বেগম, শওকত আদম, লর্ড কুরবান হোসেন) সাক্ষাৎ করেন
- 📌 ২০২৬ সালের নির্বাচন: বাংলাদেশের অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ-বিদেশে সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে — ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল অভিনন্দন জানায়
- 📌 গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন: ডেপুটি স্পিকার জানান, বিগত দেড় দশক পর সংসদে পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক চর্চা পুনরুদ্ধার হয়েছে
- 📌 জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ: ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ যুক্তরাজ্যের কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের আদলে গ্রহণ করা হয়েছে
- 📌 সংখ্যালঘু অধিকার: বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি আলোচনার প্রধান বিষয়
- 📌 শিক্ষা সহযোগিতা: যুক্তরাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শাখা বাংলাদেশে খোলার প্রস্তাবে সায় দেন ডেপুটি স্পিকার
- 📌 সাংসদীয় বিনিময়: শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের আমন্ত্রণ দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের (এপিপিজি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা স্থায়ী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল ২০২৬ সালের বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু বলে মনে করে সন্তোষ প্রকাশ করে। তারা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতির প্রশংসা করে অভিনন্দন জানান। আলোচনায় ডেপুটি স্পিকার বলেন, যুক্তরাজ্যের মতো কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের আদলে বাংলাদেশেও ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল। ব্রিটিশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শাখা খোলার প্রস্তাব দেন। ডেপুটি স্পিকার এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে গুণগত মান বজায় রাখতে যুক্তরাজ্যের শিক্ষক ও কর্মকর্তা নিয়োগের পরামর্শ দেন।
বৈঠকে উভয় দেশের সাংসদীয় অভিজ্ঞতা বিনিময় করার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন দেখার এবং জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের আমন্ত্রণ দেওয়া হয়। এই সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
"দেশের গণতান্ত্রিক ধারা স্থায়ী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে জনমুখী ও জবাবদিহিমূলক করার প্রচেষ্টা চলছে। সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে এবং গণতান্ত্রিক চর্চা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ডেপুটি স্পিকার), অপসানা বেগম, শওকত আদম, লর্ড কুরবান হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!