📌 দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে ৩০০ সাংসদের নেতৃত্বে রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব’। পুলিশের আটকায় বিক্ষোভ চলতে থাকে
দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতৃত্বে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে সংসদের মকরদ্বার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের আটকায় বিক্ষোভ চলতে থাকে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, যিনি নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি নেতাদের ‘ভোট চুরি’ ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলে বলেছেন, ‘আমরা শুধু তাদের মোকাবিলা করছি না, বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০০ সাংসদের নেতৃত্বে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের আটকায় বিক্ষোভ চলতে থাকে।
- 📌 রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও আরএসএসের নেতারা ‘ভোট চুরি’ করে দেশকে ‘হাইজ্যাক’ করেছেন’।
- 📌 প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ ৫ জন সাংসদকে পুলিশ আটক করে, পরে ছেড়ে দেওয়া হলেও রাহুল গান্ধীকে নির্বাচন সদনের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি।
- 📌 ৩০০ সাংসদ নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাদের আটকে দিয়েছে।
- 📌 পশ্চিমবঙ্গে ৯০ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় দিল্লির সংসদের মকরদ্বার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের ব্যারিকেডের ওপর উঠে প্রতিবাদ জানান রাহুল গান্ধী। মিছিলটি নির্বাচন সদনের দিকে যাওয়ার সময় নীতি আয়োগের কার্যালয়ের কাছে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করার সময় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ কয়েকজন সাংসদকে পুলিশ আটক করে, পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
রাহুল গান্ধী আকাশবাণী কার্যালয় চত্বরে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন সদনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাকে সেখানে আটকে দেয়। পরে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ আরও কয়েকজন সাংসদ সেখানে পৌঁছান। দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা এখানে এসেছি। আমাদের সঙ্গে প্রায় ৩০০ জন সাংসদ এসেছেন, তারা গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই করছেন’।
রাহুল গান্ধী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, আরএসএসের প্রধান মোহন ভাগবত এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভোট চুরি’ ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগে টেনে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মোদি, শাহ ও ভাগবত ‘ভোট চুরি’ করে দেশকে ‘হাইজ্যাক’ করেছেন এবং জ্ঞানেশ কুমার তাদের সহায়তা করেছেন’।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে বলেন, ‘আমাদের লড়াই অবিচারের বিরুদ্ধে। স্বাধীনতার পর পাওয়া সর্বজনীন ভোটাধিকার খর্ব করার চেষ্টা চলছে’। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে সরকারের ‘হাতের পুতুল’ বলে অভিহিত করেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে একতরফাভাবে ৯০ লাখ মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি জ্ঞানেশ কুমারের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, ২০১৭, ২০১৯, ২০২২ ও ২০২৪ সালেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। তিনি দাবি করেন, এবার পশ্চিমবঙ্গে কমিশন ‘নির্লজ্জের মতো’ আচরণ করেছে।
"আমরা শুধু ওদের মোকাবিলা করছি না। আমরা ওদের ধ্বংস করে দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খড়্গে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ সাংসদ, ৯০ লাখ ভোটার, ৫০ গজ দূরত্ব
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!