📌 বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা চেয়েছেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে কানাডার ভূমিকা ও বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসাও করেছেন তিনি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বঙ্গভবনে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা চেয়েছেন। সাক্ষাৎকালে কানাডার গভর্নর জেনারেল লুইস আরবুর পক্ষ থেকে হস্তান্তরকৃত অভিনন্দনবার্তার জন্য রাষ্ট্রপতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান**: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, সার, আইটি, আউটসোর্সিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কানাডার সহযোগিতা বৃদ্ধির অনুরোধ জানান।
- 📌 **গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা**: রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র ও সাংসদীয় রীতির অনুপস্থিতির কারণে বর্তমান সরকারের চাপের কথা উল্লেখ করে কানাডার সহযোগিতা কামনা করেন।
- 📌 **রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপ**: রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য কানাডাকে কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।
- 📌 **কানাডার সহায়তা ও বাণিজ্য**: হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার ছাড়িয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে কানাডা সরকার এ পর্যন্ত ৬০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করেছে।
- 📌 **বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদান**: রাষ্ট্রপতি বলেন, এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কানাডার উন্নয়নে অবদান রাখছেন।
📰 বিস্তারিত
বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকালে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে কানাডার গভর্নর জেনারেল লুইস আরবুর অভিনন্দনবার্তা হস্তান্তর করেন। রাষ্ট্রপতি অভিনন্দনবার্তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কানাডার গণতন্ত্র চর্চায় দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কানাডার সহযোগিতা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। তিনি কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, সার, আইটি, আউটসোর্সিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কানাডার সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। এছাড়া শিক্ষা, কারিগরি, প্রযুক্তি, নার্সিং ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে কানাডার সহযোগিতা বৃদ্ধির অনুরোধও করেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে হাইকমিশনার বলেন, কানাডা সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করেছে। রাষ্ট্রপতি এই সহযোগিতার জন্য কানাডা সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টিতে কানাডাকে কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবগণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। কানাডার পক্ষে রাজনৈতিক কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিস (Marcus Devies) উপস্থিত ছিলেন।
"দীর্ঘকাল যাবৎ গণতন্ত্র ও সাংসদীয় রীতির অনুপস্থিতির কারণে বর্তমান সরকারকে বেগ পেতে হচ্ছে এবং সরকার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংস্কার শুরু করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, হাইকমিশনার অজিত সিং, রাজনৈতিক কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০০ মিলিয়ন ডলার (রোহিঙ্গা সহায়তা), ৪ বিলিয়ন কানাডীয় ডলার (বাণিজ্য), ৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!