📌 গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস পালন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা হাতে লেখা চিঠি জমা দিয়েছেন ‘পত্রালয়’ নামের বিশেষ ডাকবক্সে। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা।
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফিরে এলো হারিয়ে যাওয়া চিঠির আবেগ। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে পালিত হলো আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। বৃষ্টিস্নাত দুপুরে শুরু হওয়া এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে লিখেছেন চিঠি, জমা দিয়েছেন ‘পত্রালয়’ নামের বিশেষ ডাকবক্সে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পালিত আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস
- 📌 শিক্ষার্থীরা হাতে লেখা চিঠি জমা দিয়েছেন ‘পত্রালয়’ নামের বিশেষ ডাকবক্সে
- 📌 আয়োজনে অংশ নিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা
- 📌 একজন শিক্ষক তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন চিঠির মাধ্যমে
📰 বিস্তারিত
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস পালিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে আয়োজনস্থল ছিল গবিসাস কার্যালয়সংলগ্ন মিডিয়া চত্বর। বৃষ্টিস্নাত দুপুরে শুরু হওয়া এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে খাম ও চিঠি তৈরি করেছেন। তাঁরা তাঁদের প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী কিংবা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন কৃতজ্ঞতার কথা, অভিমান কিংবা ভালোবাসার কথা।
আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল হাতে তৈরি ‘পত্রালয়’ নামের একটি ডাকবক্স। এই ডাকবক্সটি শিক্ষার্থীদের কাছে হয়ে উঠেছিল আবেগ প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘চিঠি লেখার মতো হারিয়ে যেতে বসা একটি সুন্দর ঐতিহ্যকে ক্যাম্পাসে আবারও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নিলয় কুমার দে তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তাঁর ফুফু তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যা তাঁকে রাজনীতি থেকে ফিরে আসতে অনুপ্রাণিত করেছিল। অধ্যাপক দে বলেন, ‘সেই দুটি লাইনই আজ তাঁকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে।’
গবিসাস সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম নিরব বলেন, ‘আমাদের কাছে চিঠির বিষয়টা গল্পের মতো শোনায়। সোশ্যাল মিডিয়ার এই যুগে চিঠির অনুভূতিগুলো হয়তো আমরা পুরোপুরি বুঝব না।’ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।
"চিঠি যেন কাগজের টুকরা নয়, একটি সম্পর্কের সেতু, যেখানে সময় নিয়ে ভাবা যায়, অনুভব করা যায়, আর আন্তরিকভাবে প্রকাশ করা যায় মনের গভীরের কথা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গণ বিশ্ববিদ্যালয়, গবিসাস কার্যালয়সংলগ্ন মিডিয়া চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক নিলয় কুমার দে, মোজাহিদুল ইসলাম নিরব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (সেপ্টেম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!