📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মৈমনসিংহ গীতিকার সাহিত্যগুণ নিয়ে ময়মনসিংহে বিশেষ পাঠচক্র আয়োজন

মৈমনসিংহ গীতিকার সাহিত্যগুণ নিয়ে ময়মনসিংহে বিশেষ পাঠচক্র আয়োজন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহ বন্ধুসভা প্রাচীন পালাগানের সংকলনগ্রন্থ ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নিয়ে বিশেষ পাঠচক্রের আয়োজন করেছে। দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত এই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে ১০টি অমূল্য গীতিকা, যা বাংলা সাহিত্যের অমর সম্পদ হিসেবে বিবেচিত

ময়মনসিংহ বন্ধুসভা প্রাচীন বাংলা পালাগানের বিখ্যাত সংকলনগ্রন্থ ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নিয়ে একটি বিশেষ পাঠচক্রের আয়োজন করেছে। সম্প্রতি প্রথম আলো ময়মনসিংহ অফিসে অনুষ্ঠিত এই পাঠচক্রে অংশগ্রহণকারীরা গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ পালাগানের একটি অমূল্য সংকলনগ্রন্থ, যা দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদনা করেন
  • 📌 গ্রন্থটিতে মোট ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী ও দেওয়ানা মদিনা
  • 📌 গীতিকাগুলোয় প্রাচীন বাংলার লোককাহিনি ও প্রেমকাহিনির বর্ণনা রয়েছে
  • 📌 মহুয়া, মলুয়া ও চন্দ্রাবতী পালাগুলোর রচয়িতা হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম উল্লেখযোগ্য
  • 📌 ময়মনসিংহ বন্ধুসভা আয়োজিত এই পাঠচক্রে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় সাহিত্যিক ও গবেষকরা

📰 বিস্তারিত

প্রাচীন বাংলা পালাগানের একটি অমূল্য সংকলনগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ নিয়ে ময়মনসিংহ বন্ধুসভা একটি বিশেষ পাঠচক্রের আয়োজন করে। সম্প্রতি প্রথম আলো ময়মনসিংহ অফিসে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত এই গ্রন্থটি ১৯১৩ থেকে ১৯৩২ সালের মধ্যে চার খণ্ডে প্রকাশিত হয়। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোশিপের অধীনে প্রকাশিত গ্রন্থটির প্রথম খণ্ড হিসেবে ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ পরিচিত।

গ্রন্থটিতে মোট ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে মহুয়া, মলুয়া, চন্দ্রাবতী, কমলা, দেওয়ান ভাবনা, দস্যু কেনারামের পালা, রূপবতী, কঙ্ক ও লীলা, কাজলরেখা ও দেওয়ানা মদিনা উল্লেখযোগ্য। সাহিত্যিকদের মতে, এসব গীতিকা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।

মহুয়া পালাটির সূচনাতে কবি চন্দ্রাবতীর একটি বন্দনা রয়েছে বলে এই পালাটির রচয়িতা হিসেবে চন্দ্রাবতীকে মনে করা হয়। অন্যদিকে, দেওয়ানা মদিনা পালাটিতে প্রেমের করুণ পরিণতি তুলে ধরা হয়েছে। গীতিকাগুলোয় উল্লেখিত রয়েছে প্রাচীন বাংলার লোককাহিনি ও প্রেমকাহিনি। প্রেমের পরিণতি কোনোটির মিলনাত্মক, কোনোটির বিয়োগান্তক।

“‘মৈমনসিংহ গীতিকা’-তে মূলত বাংলার মানুষের জীবন ও বিশেষ করে প্রেম-বিরহের করুণ কাহিনি গীতিকবিতার আকারে তুলে ধরা হয়েছে, যা এপার বাংলা-ওপার বাংলাতে সাহিত্যের রত্নভান্ডার হিসেবে অভিহিত হয়েছে।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চন্দ্রাবতী, দীনেশচন্দ্র সেন, মো. আবুল বাশার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖