📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ হাজার ২৩৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় বাকি অভিযোগ ৭ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হবে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশের ৩৬ হাজার ২৩৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় এই পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, সরকার পদোন্নতির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক** প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
- 📌 **৩৬ হাজার ২৩৫টি বিদ্যালয়ে** প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
- 📌 **৭ কার্যদিবসের মধ্যে** পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় বাকি অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে।
- 📌 **১৫ কার্যদিবসের মধ্যে** পূর্ণাঙ্গ পদোন্নতির তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
- 📌 **৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়** রয়েছে বাংলাদেশে।
📰 বিস্তারিত
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার জন্য জ্যেষ্ঠতার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী পদোন্নতির প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় দ্রুতগতিতে কাজ করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একটি অফিস আদেশ জারি করেছে। সহকারী পরিচালক আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগগুলো আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ পদোন্নতির তালিকাসহ আনুষঙ্গিক কাগজপত্র বিভাগীয় উপপরিচালকের মাধ্যমে পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলতি নভেম্বর মাসের মধ্যে পদোন্নতির প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। নথি যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন শেষে পিএসসি থেকে ফেরত এলে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয় পদোন্নতি-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে।
"অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদ্যমান নিয়োগবিধি অনুযায়ী পদোন্নতির প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।"
পদোন্নতি নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি বিরোধের মূল বিষয় ছিল জাতীয়করণ করা শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ। ২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রণীত এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে। হাইকোর্ট ওই ধারাকে অবৈধ ঘোষণা করলে পদোন্নতি আটকে যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০২৬ সালের ২ জুন এই মামলার রায় দিয়েছে, যার ফলে পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সহকারী পরিচালক আইরিন পারভীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ হাজার (পদোন্নতি পাবেন), ৩৬ হাজার ২৩৫টি (শূন্য পদ), ৭ কার্যদিবস (অভিযোগ নিষ্পত্তি), ১৫ কার্যদিবস (তালিকা পাঠানোর সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!