📌 নজরুল বর্ষ উদযাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় ৬০ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান বই পড়ার গুরুত্ব ও নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা বলেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে ৬০ শিক্ষার্থীকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বই পড়া কর্মসূচিতে পুরস্কৃত করা হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান সভাপতিত্ব করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় নজরুল বর্ষ উদযাপনে ৬০ শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেওয়া হয়
- 📌 অনুষ্ঠানে ৪৫ জন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় এবং ১৫ জন বই পড়া কর্মসূচিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়
- 📌 ইউএনও মাহমুদা জাহান বলেন, নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতা ও সমতা চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়াতে হবে
- 📌 বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে ইউএনও বলেন, বর্তমান যুগে শিশুরা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কাটায়, যা বই পড়ার অভ্যাস কমিয়ে দিচ্ছে
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার সৈয়দ মোহাম্মদ মর্তুজা বর্ষণসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও শিক্ষক
📰 বিস্তারিত
নজরুল বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা জাহান সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত নজরুল বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, জাতীয় কবির সাম্য, বিদ্রোহ ও অসাম্প্রদায়িকতা চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।
মাহমুদা জাহান বলেন, নজরুলের লেখনীতে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে অসাম্প্রদায়িক মনোভাব এবং নারী-পুরুষের সমঅধিকারের বার্তা রয়েছে। তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্যকর্ম যত বেশি চর্চা করা হবে, সমাজ তত বেশি সমৃদ্ধ হবে। বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে শিশুরা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কাটানোর কারণে বই পড়ার অভ্যাস ও ধৈর্য কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মুখস্থ করে পরীক্ষায় ভালো ফল করা সম্ভব হলেও প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য সৃজনশীলতার চর্চা জরুরি। আর বই পড়া সেই সৃজনশীলতা ও জ্ঞান অর্জনের পথ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মোহাম্মদ মর্তুজা বর্ষণ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খাইরুল আলম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম, একাডেমিক সুপারভাইজার পাপিয়া আক্তার, সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরুল মাহমুদ ভূইয়া ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাফিয়া বেগম। অনুষ্ঠানে নৃত্য, গান, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত ৪৫ জন এবং বই পড়া কর্মসূচিতে নির্বাচিত ১৫ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করে।
"বই পড়ার কোনো নেতিবাচক দিক নেই। বর্তমান যুগে শিশুরা মোবাইল ফোনে বেশি সময় কাটানোর কারণে বই পড়ার অভ্যাস ও ধৈর্য কমে যাচ্ছে। প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য সৃজনশীলতার চর্চা জরুরি। আর বই পড়া সেই সৃজনশীলতা ও জ্ঞান অর্জনের পথ তৈরি করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদা জাহান (ইউএনও), সৈয়দ মোহাম্মদ মর্তুজা বর্ষণ (সহকারী কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ শিক্ষার্থী, ৪৫ জন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়, ১৫ জন বই পড়া কর্মসূচিতে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!