📌 ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপাচার্য ও কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে সম্মত হন
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপাচার্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন। তবে পরীক্ষা কত দিন পেছানো হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পেছানো হতে পারে
- 📌 সভায় উপস্থিত উপাচার্য ও কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে সম্মত হলেও শুরুতে মতভিন্নতা ছিল
- 📌 ৬ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার পাস হার ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে
- 📌 সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধান অতিথি ছিলেন। সভায় উপস্থিত উপাচার্য ও কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সম্মত হন। তবে শুরুতে কিছু উপাচার্য ও কর্মকর্তা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধের পর তারা প্রাথমিকভাবে সম্মত হন। সভায় উপস্থিত এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, মেডিকেলসহ সব ধরনের ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরীক্ষা কত দিন পেছানো হবে, তা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে জানাবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ৫২.১২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এই পরিস্থিতিতে সরকার প্রথমবারের মতো ৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে এবং একই মাসের শেষে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন।
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা আগামী ৪ ডিসেম্বর। ওই দিন সারা দেশে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। এরপর ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
"মেডিকেলসহ সব ধরনের ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে উপাচার্য ও কর্মকর্তাদের মধ্যে শুরুতে মতভিন্নতা ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধের পর তারা প্রাথমিকভাবে সম্মতি প্রকাশ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ (অকৃতকার্য শিক্ষার্থী), ৫২.১২ শতাংশ (পাস হার), ২২ বছর (সর্বনিম্ন পাস হার), ৪ লাখ (সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী), ৪ ডিসেম্বর (মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!