📌 পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানায় ঝাড়ফুঁকের নামে চিকিৎসা দাবি করে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে ৪০ বছর বয়সী তাইজুল ইসলাম মুসাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে
পটুয়াখালীর কলাপাড়া থানায় ঝাড়ফুঁকের নামে চিকিৎসা দাবি করে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৮) আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করেন ৪০ বছর বয়সী তাইজুল ইসলাম মুসাকে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০) নামের কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত মুসা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে।
- 📌 গত ৩১ অক্টোবর কিশোরীর সৎ বাবা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মুসাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
- 📌 গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টায় মুসা ও তার সহযোগীরা কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন।
- 📌 ১৫ অক্টোবর মুসা ও সহযোগীরা আবারও কিশোরীকে বিয়ে না করলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর হুমকি দেন।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত মুসাকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে চিকিৎসার নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৮) আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের চৌরাস্তাসংলগ্ন এলাকা থেকে তাইজুল ইসলাম মুসাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে কলাপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মুসা পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ায় এলাকায় তিনি ‘মুসা হুজুর’ নামে পরিচিত ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর সৎ বাবা, তাঁর স্ত্রী ও সৎ মেয়েকে নিয়ে দুই মাস ধরে কলাপাড়া শহরের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। কিশোরী দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় দুই মাস আগে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য মুসার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁরা। এরপর চিকিৎসার কথা বলে মুসা প্রায়ই তাঁদের বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তাঁর।
গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরীর সৎ বাবা বাসায় না থাকার সুযোগে মুসা ১০-১১ জনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এ সময় মুসার সঙ্গে যাওয়া ব্যক্তিরা গোপনে সেই মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকবার তাঁদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়। এ ছাড়া কিশোরীর মায়েরও অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরী মুসাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। পরে মুসার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কিশোরী ও তাঁর মায়ের কাছে ভিডিও পাঠান। গত ১৫ অক্টোবর মুসাসহ তাঁর সহযোগীরা আবারও ওই বাসায় গিয়ে কিশোরীকে বিয়ে করবেন না বলে জানান। তাঁদের কথামতো না চললে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
"গ্রেপ্তার আসামিকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেছেন, গ্রেপ্তারকৃত মুসাকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা, কলাপাড়া পৌর শহর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০), রাজ্জাক মোল্লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন আসামি, ২ অক্টোবর, ১৫ অক্টোবর, ১০-১১ জন সহযোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!