📌 গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত সংসদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের সাথে নিরাপত্তা চুক্তি অনুমোদন করেছে। চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য গ্রিনল্যান্ডে নতুন বেস স্থাপনের সুযোগ পাবে। ট্রাম্পের আর্কটিক দখল সম্পর্কিত হুমকির পর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত সংসদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের সাথে নিরাপত্তা চুক্তি অনুমোদন করেছে। এই চুক্তি আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্যে। গ্রিনল্যান্ডের সংসদে ১৬ জন সদস্য একমত হয়েছেন, আর সাতজন বর্জন করেছে। চুক্তিটি সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসনের উপস্থিতিতে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘের সাধারণ সভায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রিনল্যান্ডের সংসদ ১৬-০ ভোটে অনুমোদন দিলো মার্কিন-ডেনিশ নিরাপত্তা চুক্তি, সাতজন বর্জন করলেন
- 📌 চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে নতুন নিরাপত্তা বেস স্থাপন ও পিটুফিক স্পেস বেসের আধুনিকীকরণ করবে
- 📌 গ্রিনল্যান্ডের বাইরের মন্ত্রী মুটে এগেডে বলেছেন, “আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা মূলনীতি মেনে চলেছি, আলোচনা করেছি এবং দায়িত্ব পালন করেছি”
- 📌 গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা ৫৭ হাজার, ট্রাম্পের আর্কটিক দখলের হুমকি দিয়েছে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা বিপদে ফেলেছে
- 📌 চুক্তি কার্যকর হবে ডেনমার্কের সংসদ অনুমোদন পেলে, মার্কিন সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন নেই
📰 বিস্তারিত
গ্রিনল্যান্ড, যা ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ। এই অঞ্চলের অধিবাসীরা ট্রাম্পের আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক আক্রমণের হুমকি দিয়েছে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গ্রিনল্যান্ডের বাইরের মন্ত্রী মুটে এগেডে বলেছেন, “আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা মূলনীতি মেনে চলেছি, আলোচনা করেছি এবং দায়িত্ব পালন করেছি। এই চুক্তি আমাদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের অধিকার সম্পর্কিত। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যত আমাদের সবার জন্য।”
চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ করবে। এই বেসটি গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত। চুক্তি অনুযায়ী গ্রিনল্যান্ডের স্বায়ত্তশাসিত সরকার ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, কিন্তু গ্রিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করলে চুক্তি কার্যকর থাকবে। ডেনিশ সংসদ এই চুক্তি নিয়ে পরবর্তী মাসে আলোচনা করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন হবে না।
"আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষায় আমরা মূলনীতি মেনে চলেছি, আলোচনা করেছি এবং দায়িত্ব পালন করেছি। এই চুক্তি আমাদের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের অধিকার সম্পর্কিত। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যত আমাদের সবার জন্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রিনল্যান্ড (আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক), নিউ ইয়র্ক (জাতিসংঘ সাধারণ সভা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প (মার্কিন প্রেসিডেন্ট), মেটে ফ্রেডেরিকসেন (ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী), জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন (গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী), মুটে এগেডে (গ্রিনল্যান্ডের বাইরের মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭,০০০ (গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা), ১৬ (অনুমোদন ভোট), ৭ (বর্জন ভোট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!