📌 মজুরি বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকরা। তারা বলেছেন, বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান করা প্রয়োজন এবং শ্রমিকদের স্বার্থের পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতাও বিবেচনা করতে হবে
মজুরি বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তারা দাবি করেছেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া প্রয়োজন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতাও বিবেচনা করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকেরা।
- 📌 বেতন বৃদ্ধির হার ২০২১ সালে ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯ শতাংশ করা হয়েছিল, যা ৩ বছরের জন্য প্রযোজ্য।
- 📌 ফজলুল হক বলেছেন, প্রতি ৫ বছর পরপর মজুরি বোর্ড পর্যালোচনা করা হয়, কিন্তু ২০২১ সালে সময়সীমা কমিয়ে ৩ বছর করা হয়েছিল।
- 📌 শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি সমাধান করতে হবে, মালিকপক্ষের দাবি।
- 📌 কারখানা বন্ধের সংখ্যা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তবে উত্তরা এলাকায় আটটি কারখানার তথ্য পাওয়া গেছে।
📰 বিস্তারিত
মজুরি বোর্ডের নতুন গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তারা বলেছেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বার্থের পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতাও বিবেচনায় নিতে হবে।
বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পরপর মজুরি বোর্ড পর্যালোচনার বিধান ছিল। ২০২১ সালে সর্বশেষ মজুরি বোর্ড গঠনের সময় ৫ বছর ধরে প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে বাধ্যতামূলক বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার এ সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করে এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯ শতাংশ নির্ধারণ করে।
ফজলুল হক বলেন, শ্রমিকদের অনুকূলে নেওয়া এ সিদ্ধান্ত মালিকপক্ষও তৎকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও মেনে নিয়েছিল। তিনি জানান, আগামী জানুয়ারিতে তিন বছরের এ সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি মিছিল বা আন্দোলনের মাধ্যমে নয়, নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সমাধান করতে হবে। এ জন্য মজুরি বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা প্রয়োজন।
শ্রমিকদের দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফজলুল হক বলেন, শুধু বেতন বাড়ানোর দাবি করলেই হবে না, শিল্পের সেই বাড়তি ব্যয় বহনের সক্ষমতা রয়েছে কী না, সেটিও দেখতে হবে। তিনি শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্টের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সব সমস্যার সমাধান নিয়মতান্ত্রিক পথেই হওয়া উচিত।
মজুরি বোর্ডে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবং সরকারের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তাই বোর্ডের সিদ্ধান্তের ওপর সংশ্লিষ্ট সবার আস্থা রাখা প্রয়োজন। ফজলুল হক উল্লেখ করেন, কারখানা বন্ধের সংখ্যা সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তবে উত্তরা এলাকায় আটটি কারখানার তথ্য পাওয়া গেছে।
"শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান হওয়া উচিত। এ জন্য মজুরি বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (পোশাকশিল্প কারখানা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. ফজলুল হক (বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ও এফবিসিসিআই প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (মজুরি বোর্ড পর্যালোচনা সময়সীমা), ৫ শতাংশ (২০২১ সালের বেতন বৃদ্ধি হার), ৩ বছর (বর্তমান সময়সীমা), ৯ শতাংশ (বর্তমান বেতন বৃদ্ধি হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!