📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংকঋণে ডুবে যাচ্ছে সরকার: নতুন বেতনকাঠামো চাপে ঋণগ্রহণের রেকর্ড বাড়ছে

ব্যাংকঋণে ডুবে যাচ্ছে সরকার: নতুন বেতনকাঠামো চাপে ঋণগ্রহণের রেকর্ড বাড়ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে সরকার ব্যাংক থেকে নিট ৪৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার ৪৩ শতাংশ। নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের চাপ এবং রাজস্ব ঘাটতির কারণে এই ঋণগ্রহণ বাড়ছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশেষজ্ঞরা চাপের কারণ হিসেবে নতুন বেতনকাঠামো ও রাজস্ব আদায়ের অপারগতা উল্লেখ করেছেন

বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে। নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের চাপ এবং রাজস্ব আদায়ের ঘাটতির কারণে সরকার ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়ে চলেছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) সরকার ব্যাংক থেকে নিট ৪৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৩ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঋণগ্রহণের পেছনে নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর চাপ এবং রাজস্ব আদায়ের অপারগতা প্রধান কারণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে সরকার ব্যাংক থেকে নিট ৪৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার ৪৩ শতাংশ
  • 📌 অক্টোবর মাসে এক মাসে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে, যা অতীতের যেকোনো মাসের চেয়ে বেশি
  • 📌 নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের চাপ এবং রাজস্ব আদায়ের ঘাটতির কারণে ঋণগ্রহণ বাড়ছে
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু অক্টোবর মাসে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে
  • 📌 অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা হয়েছে
  • 📌 বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়ায় সরকারকে বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে
  • 📌 বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেছেন, অর্থবছরের শেষ দিকে সরকারের ব্যয়ের চাপ সবসময় বেশি থাকে

📰 বিস্তারিত

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) সরকার ব্যাংক খাত থেকে নিট ৪৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এই পরিমাণ ঋণ পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৩ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংক বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের চাপ এবং রাজস্ব আদায়ের অপারগতা এই ঋণগ্রহণের প্রধান কারণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু অক্টোবর মাসে সরকার ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এটি অতীতের যেকোনো মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ। আগের মাসগুলোয় জুলাইয়ে ৫৬ হাজার কোটি, আগস্টে ৫০ হাজার কোটি এবং সেপ্টেম্বরে সাড়ে ৪১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তবে এই হিসাব মোট ঋণ, যেখানে আগের ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় পরিশোধ বা পুনঃইস্যুতে ব্যয় হয়।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আয়ের সক্ষমতার তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি এবং সে অনুযায়ী রাজস্ব আয় না পাওয়ার কারণে সরকারকে বেশি ব্যাংকঋণ নিতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের চাপ সামনে আরও বাড়বে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেছেন, অর্থবছরের শেষ দিকে সরকারের ব্যয়ের চাপ সবসময় বেশি থাকে। ফলে সরকার বেশি ঋণ নেয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, অক্টোবর মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হলেও আগের বিল-বন্ডের মেয়াদপূর্তিতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এটি ইতিবাচক, কারণ এতে বাজারে টাকার সরবরাহ কমবে এবং রিজার্ভ মানিও কমবে। তবে অর্থনীতির গতি বাড়াতে অবশ্যই ব্যাংকগুলোকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

চলতি অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। এ বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি অর্থায়নে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে দেশের ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজস্ব আদায়েও বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্ধিত বেতন-ভাতা পরিশোধের অর্থ জোগাতে গত সোমবারও ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

"আয়ের সক্ষমতার তুলনায় ব্যয় অনেক বেশি এবং সে অনুযায়ী রাজস্ব আয় না পাওয়ার কারণেই সরকারকে বেশি ব্যাংকঋণ নিতে হচ্ছে। নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন চাপও এর সঙ্গে যোগ হয়েছে, যা সামনে আরও বাড়বে বলেই মনে করেন ড. জাহিদ হোসেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. জাহিদ হোসেন, ড. মো. এজাজুল ইসলাম, আরিফ হোসেন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা (ঋণ), ৪৩ শতাংশ (লক্ষ্যমাত্রার), ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (অক্টোবর মাসের ঋণ), ৪২ হাজার কোটি টাকা (রাজস্ব ঘাটতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖