📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা: প্রথম রানি হিসেবে এককভাবে সুপারসনিক যুদ্ধবিমান চালান

থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা: প্রথম রানি হিসেবে এককভাবে সুপারসনিক যুদ্ধবিমান চালান

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্ন বিশ্বের প্রথম রানি হিসেবে এককভাবে সুপারসনিক যুদ্ধবিমান জেএএস ৩৯ গ্রিপেন চালান। তিনি ৪১ মিনিটের জন্য বিমান পরিচালনা করে ইতিহাস গড়েন

থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্ন বিশ্ব ইতিহাসে প্রথম রানি হিসেবে এককভাবে সুপারসনিক যুদ্ধবিমান চালান। এই অর্জনটি তাঁকে অ্যাভিয়েশন এবং রাজকীয় ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। ৮ অক্টোবর, তিনি ৪১ মিনিটের জন্য জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্ন বিশ্বের প্রথম রানি হিসেবে এককভাবে সুপারসনিক যুদ্ধবিমান চালান
  • 📌 তিনি ৪১ মিনিটের জন্য জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান পরিচালনা করে ইতিহাস গড়েন
  • 📌 ২০১৯ সালের ১ মে তিনি থাইল্যান্ডের রানি হিসেবে রাজকীয় মর্যাদা লাভ করেন
  • 📌 তিনি ২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাপান এয়ারলাইনস এবং থাই এয়ারওয়েজে কেবিন ক্রু হিসেবে কাজ করেছেন
  • 📌 ২০১৬ সালে তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন
  • 📌 ১৯৭৮ সালের ৩ জুন তিনি থাইল্যান্ডের সোংকলা প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন

📰 বিস্তারিত

থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্নের পাইলটিং ক্যারিয়ার একটি রোমাঞ্চকর গল্প। তিনি ২০১০ সালে সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান সেসনা টি-৪১ডি দিয়ে পাইলট জীবনের শুরু করেন। এরপর তিনি থাইল্যান্ড এবং জার্মানিতে বাণিজ্যিক এবং সামরিক বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি বাণিজ্যিক পাইলটের যোগ্যতা, বোয়িং ৭৩৭ টাইপ রেটিং এবং এয়ারলাইন ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্স অর্জন করেন।

২০১৬ সালে তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন এবং ২০১৯ সালের ১ মে রাজা মহা বাজির্যালংকর্নের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাইল্যান্ডের রানি হিসেবে রাজকীয় মর্যাদা লাভ করেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি রাজকীয় সফরে বোয়িং ৭৩৭ বিমান পরিচালনা করেছেন।

২০২৬ সালের আগস্টে তিনি সুরাত থানি প্রদেশের উইং ৭ এয়ার বেসে জেএএস ৩৯ গ্রিপেন যুদ্ধবিমানের বিশেষ প্রশিক্ষণ শুরু করেন। কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ৮ অক্টোবর এককভাবে ৪১ মিনিটের জন্য এক সিটের গ্রিপেন যুদ্ধবিমান পরিচালনা করেন। এই ঐতিহাসিক উড্ডয়ন পর্যবেক্ষণ করেন রাজা মহা বাজির্যালংকর্ন। উড্ডয়ন শেষে রাজা তাঁকে গ্রিপেন অর্ডারের মেডেল প্রদান করেন।

এই অর্জনের ঠিক ছয় দিন পর, ১৪ অক্টোবর তিনি আন্তর্জাতিক আইস হকি ফেডারেশনের নারী গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে অফিশিয়াল সফরে ব্যাংকক থেকে জাপানের হোক্কাইডো ভ্রমণ করেন। তিনি নিজেই রাজকীয় বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমান পরিচালনা করে সফর শেষে সফলভাবে ব্যাংককে ফিরে আসেন।

"রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্নের এই অর্জন অ্যাভিয়েশন ও রাজকীয় ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে। তিনি কেবিন ক্রু থেকে শুরু করে পেশাদার ফাইটার পাইলট হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: থাইল্যান্ড, সুরাত থানি প্রদেশ, উইং ৭ এয়ার বেস, ব্যাংকক, জাপানের হোক্কাইডো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রানি সুথিদা বাজির্যালংকর্ন, রাজা মহা বাজির্যালংকর্ন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ মিনিট, ৮ অক্টোবর, ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ সালের ১ মে, ২৯টি দেশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖