📌 শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো ব্যবস্থাপনা সহজ করতে ১১টি ওয়্যারহাউস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য খালাসের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করতে অস্থায়ী ও স্থায়ী মিলিয়ে মোট ১১টি ওয়্যারহাউস নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি অস্থায়ী এবং চারটি স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা সংবেদনশীল পণ্য যেমন ওষুধ দ্রুত আমদানি-রপ্তানির জন্য কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ১১টি ওয়্যারহাউস নির্মাণের উদ্যোগ
- 📌 অস্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য সাতটি ও স্থায়ী ওয়্যারহাউসের জন্য চারটি স্থান চিহ্নিত
- 📌 তাপমাত্রা সংবেদনশীল পণ্য দ্রুত খালাসে কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত
- 📌 কার্গো খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম
📰 বিস্তারিত
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভা সূত্রে জানা যায়, কার্গো ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা দ্রুত দূর করতে অস্থায়ী ও স্থায়ী ওয়্যারহাউস নির্মাণের জন্য সম্ভাব্য স্থানগুলো যাচাই করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ওষুধ আমদানি-রপ্তানি দ্রুত ও নিরাপদ করতে কোল্ডস্টোরেজ অবকাঠামো তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ তাপমাত্রা সংবেদনশীল ওষুধ দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে আটকে থাকলে পণ্যের মান ও সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, কার্গো খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশকে এভিয়েশন খাতে নেতৃত্বের অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুধু অনুসরণকারী হিসেবে থাকতে চায় না, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে যেতে চায়।
"প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুধু অনুসরণকারী হিসেবে থাকতে চায় না, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে যেতে চায়। দ্রুত কার্গো খালাসে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।"
সভা সূত্রে আরও জানা যায়, কার্গো পণ্য আমদানির নোটিশ দ্রুত আমদানিকারকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আমদানি করা পণ্য সহজে শনাক্ত ও খুঁজে বের করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) মডেল তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিমানবন্দরের অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কাস্টমসের দায়িত্ব আমদানি-রপ্তানি পণ্যের বৈধতা, প্রয়োজনীয় ঘোষণা, কাগজপত্র ও শুল্ক নিশ্চিত করা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফরোজা খানম (পর্যটনমন্ত্রী), খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি ওয়্যারহাউস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!