📌 শিশুদের জন্য লেখা শহীদুল হক বাদলের ছড়াগুলোতে বানর মুখের বাসী-পঁচা, প্রজাপতির রঙের পছন্দ, বনযাত্রী ও ঝড়ের কথা, এবং পরিবারের সদস্যদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ছড়াগুলোতে রয়েছে মজার-মজারি, শিক্ষামূলক বাণী এবং শিশুদের মনোযোগ আকর্ষণকারী কাহিনি
শিশুদের মনকে মজা দিয়ে শিক্ষা দেওয়ার জন্য লেখা শহীদুল হক বাদলের ছড়াগুলোতে রয়েছে বানর মুখের বাসী-পঁচার মজার কথা থেকে শুরু করে প্রজাপতির রঙের পছন্দ এবং পরিবারের সদস্যদের স্বপ্নের কথা। এই গুচ্ছ ছড়ায় বনযাত্রী, ঝড়ের আশঙ্কা, বন্ধুত্বের মূল্য এবং জীবনের শিক্ষামূলক বাণীগুলোকে মজার কাহিনির মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘হুঁতুম পেঁচা চোখ দু’টো উঁড়ু উঁড়ু’ — বাসী-পঁচার মজার মুখের বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়েছে ছড়াটি, যেখানে বাসী-পঁচাকে ‘মাংকি’ বলে মজা করা হয়েছে
- 📌 ‘রং-বেরঙের ছড়া লাল নেবে না, নীল নেবে’ — প্রজাপতির রঙের পছন্দ নিয়ে মজার প্রশ্ন উঠেছে, যেখানে লেখক বলেছেন ‘হলুদ-সবুজ নিতে পারো, যদি মানায় ভালো’
- 📌 ‘পড়ো নামাজ, রাখো রোজা চলো সোজা পথে’ — জীবনের শিক্ষামূলক বাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে নামাজ, রোজা এবং সোজা পথ চলার গুরুত্ব
- 📌 ‘স্বপ্ন যেথায় ওড়ে মা বলে যে, হবো ডাক্তার বাবা’য় ইঞ্জিনিয়ার’ — পরিবারের সদস্যদের স্বপ্নের কথা তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে মা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখান এবং বাবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন
- 📌 ‘বাবা এসে, বলবে হেসে তোকে নিয়ে আর পারিনা দাঁড়া’ — বাবা-মার মজার কথা এবং শিশুদের সাথে তাদের সম্পর্কের বর্ণনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
শহীদুল হক বাদলের ছড়াগুলোতে শিশুদের মনকে আকর্ষণ করার পাশাপাশি শিক্ষামূলক বাণীও রয়েছে। ‘হুঁতুম পেঁচা চোখ দু’টো উঁড়ু উঁড়ু’ ছড়াটিতে বাসী-পঁচার মজার মুখের বর্ণনা দিয়ে শুরু হয়েছে। বাসী-পঁচাকে ‘মাংকি ওরে বাবা’ বলে মজা করা হয়েছে, যেখানে লেখক বলেছেন, ‘কী যে দুষ্টু ওটা কাটছেও আবার ভেঙচি!’
ছড়াগুলোর মধ্যে ‘রং-বেরঙের ছড়া’-তে প্রজাপতির রঙের পছন্দ নিয়ে মজার প্রশ্ন উঠেছে। লেখক বলেছেন, ‘রং-বেরঙের ছড়া লাল নেবে না, নীল নেবে- চাও কী সাদা-কালো?’ এবং শেষে বলেছেন, ‘রংধনু রঙ দিতে পারি, ঐ বেগুনিও তো ছিলো। হলুদ-সবুজ নিতে পারো, যদি মানায় ভালো’। এছাড়াও, ‘সাজতে কী চাও প্রজাপতি? জ্বলমলে সব আলো’ বলে প্রজাপতির রঙের পছন্দের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ছড়াগুলোতে জীবনের শিক্ষামূলক বাণীও রয়েছে। যেমন, ‘পড়ো নামাজ, রাখো রোজা চলো সোজা পথে’ বলে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ‘অতি লোভী নয় সে ভালো, জানিও শাস্ত্রমতে’ বলে লোভের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের স্বপ্নের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ‘স্বপ্ন যেথায় ওড়ে মা বলে যে, হবো ডাক্তার বাবা’য় ইঞ্জিনিয়ার’ বলে মা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখান এবং বাবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন।
ছড়াগুলোতে শিশুদের সাথে বাবা-মার সম্পর্কের বর্ণনাও রয়েছে। ‘বাবা এসে, বলবে হেসে তোকে নিয়ে আর পারিনা দাঁড়া’ বলে বাবা-মার মজার কথা এবং তাদের শিশুদের সাথে সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও, ‘যাক, তবে এবার থাক এখন থামো, সবাই থামো মা এসেই ধমক দিয়ে বলবে আমায়, এ্যাই, পড়তে বসোনা কেন?’ বলে মায়ের পড়াশোনার গুরুত্বের কথা বলা হয়েছে।
"‘প্রথম পাঠ চারটাতে হয় এক হালি, বিশটাতে হয় কুড়ি। পড়ালেখায় হলে ভালো বলবেনা কেউ বুঁড়ি’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: (সূত্রে উল্লেখ নেই, শিশুদের জন্য লেখা ছড়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদুল হক বাদল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (প্রথম পাঠ), ১০ (বিশটাতে হয় কুড়ি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!