📌 মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ইনট্যাক-২০২৬-এ বাংলাদেশ হাইকমিশন ও এম ৩৬০ আইসিটি অংশগ্রহণ করে। তিন দিনব্যাপী মেলায় বাংলাদেশের দুটি বুথে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদর্শিত হয়। হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মেলায় অংশগ্রহণকারীদের সাথে আলোচনা করেন
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পর্যটন, শিল্প ও সাংস্কৃতিক মেলা ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম, আর্টস অ্যান্ড কালচারাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনফারেন্স (ইনট্যাক-২০২৬)’-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ মেলায় বাংলাদেশ হাইকমিশন ও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এম ৩৬০ আইসিটি (৩৬০ আইসিটি) অংশ নিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ার ইনট্যাক-২০২৬ মেলায় বাংলাদেশের দুটি বুথে দেশের পর্যটন আকর্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদর্শিত হচ্ছে
- 📌 মেলার প্রথম দিনে ওপেন স্টেজে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতির ভিডিও প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়
- 📌 মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকর্মীদের পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা পায় শামিমার নেতৃত্বে
- 📌 বাংলাদেশ হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মেলায় অংশগ্রহণকারীদের সাথে আলোচনা করেন ও বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন
- 📌 মেলায় বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশের অংশগ্রহণে মোট ১৫৫টি বুথ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে (কেএলসিসি) শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ইনট্যাক-২০২৬ মেলায় বাংলাদেশের দুটি বুথে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা, আকর্ষণীয় গন্তব্য এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা প্রদর্শিত হচ্ছে। এতে বিদেশি দর্শনার্থীদের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশি বুথ পরিদর্শন করছেন।
মেলার প্রথম দিন বিকেল ৩টায় ওপেন স্টেজে বাংলাদেশের পর্যটনবিষয়ক বিভিন্ন ভিডিও প্রদর্শনের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির নানা দিক আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়। শামিমার নেতৃত্বে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকর্মীদের পরিবেশনা দর্শকদের প্রশংসা পায়।
এদিকে, বাংলাদেশ হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মেলার প্রথম দিনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বুথ পরিদর্শন করেন। তিনি মেলায় আগত দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশকে আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি এবং এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি সেবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মেলার উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল (সচিবালয় প্রধান) একবাল সেতিয়া সহ আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বুথ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান।
"মেলার মাধ্যমে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা তুলে ধরার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টার (কেএলসিসি), মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী (বাংলাদেশ হাইকমিশনার), শামিমা (সংস্কৃতিকর্মী), একবাল সেতিয়া (ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬০ (এম ৩৬০ আইসিটি প্রতিষ্ঠান), ২ (অক্টোবর), ৩ (দিন), ২৫ (দেশ), ১৫৫ (বুথ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!