📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ছাদবাগান থেকে ব্যবসায় রূপান্তর: মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে বাড়িয়ে তুলছেন রাঙ্গুলি

ছাদবাগান থেকে ব্যবসায় রূপান্তর: মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে বাড়িয়ে তুলছেন রাঙ্গুলি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ছাদবাগান থেকে শুরু করে বর্তমানে মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করছেন ঢাকার রাঙ্গুলি ব্যবসায়ী ইয়াসমিন খান। তার সংগ্রহে রয়েছে ৩০০-এরও বেশি সাকুলেন্ট ও ক্যাকটাস জাতের গাছ, যা অনলাইনে বিক্রি হয়

ছাদবাগান থেকে শুরু করে বর্তমানে মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছেন ঢাকার রাঙ্গুলি এলাকার ইয়াসমিন খান। তার সংগ্রহে রয়েছে বিভিন্ন রঙের ফুল ও পাতার গাছ, যা অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করেছেন ইয়াসমিন খান ও তার স্বামী কে এম মঈনউদ্দীন।
  • 📌 ৩০০-এরও বেশি সাকুলেন্ট ও ক্যাকটাস জাতের গাছের সংগ্রহ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পার্পল ডিলাইট, মুরাসাকি, হাকুহো, ক্রাসুলা, জেড প্ল্যান্টসহ নানা জাতের গাছ।
  • 📌 একটি গাছ থেকে নতুন চারা তৈরি করে উৎপাদন বাড়ানো যায়, যেমন ‘রুবি নেকলেস’ গাছের ক্ষেত্রে।
  • 📌 গাছের দাম শুরু হয় ১০০ টাকা থেকে, আর বিরল জাতের গাছের দাম পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকা।
  • 📌 ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কুরিয়ারে গাছ পাঠানো হয়।

📰 বিস্তারিত

ইয়াসমিন খান ও তার স্বামী কে এম মঈনউদ্দীন শখের বশে ছাদবাগান শুরু করেছিলেন। কিন্তু শখটা একসময় ব্যবসায় রূপ নেয়। বর্তমানে ‘রাঙ্গুলি’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তারা নানা ধরনের শৌখিন গাছ বিক্রি করেন। রাঙ্গুলি অর্থ রঙের বাহার, এবং এই পেজে পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের ফুল ও পাতার গাছ।

বাণিজ্যিকভাবে গাছ উৎপাদনের জন্য মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ছাদ ভাড়া নেওয়া হয়। এখানে গাছের চারা তৈরি, পরিচর্যা, ছবি তোলা, ভিডিও তৈরি এবং ক্রেতাদের কাছে গাছ পাঠানোর সব কাজ চলে। কাজের সুবিধার জন্য দুজন লোকও নিয়োগ করা হয়েছে। ইয়াসমিন খান বলেন, ‘শখটা একসময় নেশায় রূপ নেয়। অবশেষে নেশাটাকেই পেশায় পরিণত করি।’

গাছের বংশবিস্তারের একটি কৌশল হলো, গাছের ডাল বা শাখা কেটে নতুন চারা তৈরি করা। উদাহরণস্বরূপ, ‘রুবি নেকলেস’ নামের একটি গাছের ডাল ছোট ছোট অংশে কেটে টবে লাগানো যায়। উপযুক্ত পরিচর্যায় সেখান থেকে তৈরি হয় নতুন গাছ। একটি গাছ থেকে একাধিক গাছ তৈরি করা সম্ভব। গাছটির চাহিদাও ভালো বলে জানান তিনি। আকার ও ঝোপালো হওয়ার ওপর নির্ভর করে এ ধরনের একটি গাছের দাম টবসহ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা হতে পারে।

"একটি গাছ থেকে নিয়মিত কাটিং নিয়ে নতুন চারা তৈরি করা গেলে উৎপাদন বাড়ানো যায়। ফলে প্রতিবার নতুন গাছ কিনে সংগ্রহ বাড়ানোর প্রয়োজন হয় না।"

গাছের জাত, বৃদ্ধির গতি ও পরিচর্যার ওপর উৎপাদন ও বিক্রির পরিমাণ নির্ভর করে। সাকুলেন্ট, ক্যাকটাসসহ নানা ধরনের শৌখিন গাছের সংগ্রহ রয়েছে। সাকুলেন্টের মধ্যে পার্পল ডিলাইট, মুরাসাকি, হাকুহো, ক্রাসুলা, অরুণ পেই, রোজ, মাউন্টেন রোজ, অ্যানোনিয়াম ও জেড প্ল্যান্টের মতো বিভিন্ন জাত রয়েছে। সব মিলিয়ে বর্তমানে তাঁদের সংগ্রহে সাকুলেন্টের প্রায় ৩০০ ধরনের জাত আছে। গাছের ধরন, আকার ও পরিপক্বতা অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। সাধারণত ছোট সাকুলেন্টের দাম ১০০ টাকা হয়। বড় ও বিরল জাতের সাকুলেন্টের দাম ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা হতে পারে। অন্যদিকে ক্যাকটাসের দাম শুরু হয় ১৫০ টাকা থেকে। আকার ও জাতভেদে কিছু ক্যাকটাসের দাম ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা হয়ে থাকে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (রাঙ্গুলি), চট্টগ্রাম, সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়াসমিন খান ও কে এম মঈনউদ্দীন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসে ২ লাখ টাকা, ৩০০ জাতের গাছ, ১০০ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖