📌 যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিএইচএস) থেকে ৪১ হাজার কর্মকর্তার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে সাইবার হামলায়। এতে কর্মস্থল, ফোন নম্বর, অভিযানের বিবরণসহ গোপন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। ডিডিওসিক্রেটস ও ডিপার্টমেন্ট অব পিসের হাত ধরে এই তথ্য অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিএইচএস) থেকে ৪১ হাজার কর্মকর্তার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে সাইবার হামলায়। এই তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি নজিরবিহীন বলে বিবেচিত হচ্ছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে কর্মকর্তাদের নাম, কর্মস্থলের ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং বিভিন্ন সংস্থায় তাদের দায়িত্বের বিবরণ। বুধবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে এবং এটি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সরকারি সংস্থা তথ্য ফাঁস বা সাইবার হামলার শিকার হওয়ার তৃতীয় ঘটনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ডিএইচএস থেকে ৪১ হাজার কর্মকর্তার তথ্য ফাঁস হয়েছে সাইবার হামলায়, যার মধ্যে ২১ হাজার কর্মকর্তা কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এবং ৬ হাজার ৬০০ কর্মকর্তা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সংস্থায় কর্মরত
- 📌 ফাঁস হওয়া তথ্যে কর্মকর্তাদের নাম, কর্মস্থল, ফোন নম্বর, দায়িত্বের বিবরণ এবং গোপন অভিযানের নামসহ প্রযুক্তির বিবরণ অন্তর্ভুক্ত
- 📌 ডিডিওসিক্রেটস ও ডিপার্টমেন্ট অব পিসের মাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, যারা ডিএইচএসের তথ্যভান্ডারে প্রবেশ করে তথ্য সংগ্রহ করে
- 📌 ডিএইচএসের মুখপাত্র জানান, সংস্থাটি সম্ভাব্য তথ্য ফাঁসের বিষয়ে অবগত এবং কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করছে
- 📌 ডিপার্টমেন্ট অব পিসের দাবি, আইসিই কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে এই হ্যাকিং ঘটেছে
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (ডিএইচএস) থেকে ৪১ হাজার কর্মকর্তার তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি নজিরবিহীন বলে বিবেচিত হচ্ছে। এই তথ্য ফাঁসের ঘটনায় কর্মকর্তাদের নাম, কর্মস্থলের ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং বিভিন্ন সংস্থায় তাদের দায়িত্বের বিবরণসহ গোপন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বুধবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে এবং এটি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সরকারি সংস্থা তথ্য ফাঁস বা সাইবার হামলার শিকার হওয়ার তৃতীয় ঘটনা।
ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে কর্মকর্তাদের নাম, কর্মস্থলের ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং বিভিন্ন সংস্থায় তাদের দায়িত্বের বিবরণ। এতে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াও, গোপন অভিযানের নাম এবং এসব অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তাদের পরিচয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও, কর্মকর্তারা ব্যবহৃত প্রযুক্তির বিবরণও ফাঁস হয়েছে, যার মধ্যে সেলব্রাইট ও পালান্টিরের সরবরাহ করা প্রযুক্তিও রয়েছে।
ডিডিওসিক্রেটস ও ডিপার্টমেন্ট অব পিসের মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ডিডিওসিক্রেটসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এমা বেস্ট বলেছেন, এই তথ্য ফাঁসের লক্ষ্য ছিল নাম-পরিচয় গোপন রাখার সুযোগের বদলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেছেন, তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি অসাধারণ হলেও এর সরলতা বিভ্রান্তিকর কারণ এতে গোপন ও ছদ্মবেশী অভিযান তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পরিচয় উঠে এসেছে।
"আমাদের কর্মী ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকিকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। তাঁদের যথাযথ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ডিএইচএস (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমা বেস্ট (ডিডিওসিক্রেটসের সহপ্রতিষ্ঠাতা), ডিএইচএসের মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ হাজার কর্মকর্তার তথ্য ফাঁস, ২১ হাজার সিবিপি কর্মকর্তা, ৬ হাজার ৬০০ আইসিই কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!