📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে গণশুনানি আজ: সরকারি দামে পণ্য পাওয়ার আশঙ্কা ভোক্তাদের

এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে গণশুনানি আজ: সরকারি দামে পণ্য পাওয়ার আশঙ্কা ভোক্তাদের

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে এলপি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। আজ গণশুনানিতে এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি আলোচিত হবে। ভোক্তা সংগঠন দাবি করছে, সিন্ডিকেটের কারণে দাম বাড়ানো হচ্ছে এবং সরকারি দামে পণ্য পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে

বাংলাদেশে এলপি গ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণের গণশুনানি আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে, যা ভোক্তাদের পকেট কাটছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই গণশুনানিতে এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা ২০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন
  • 📌 সিন্ডিকেটের কারণে সিলিন্ডারের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে
  • 📌 ভোক্তা সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) দাবি করেছে, ব্যবসায়ীরা অজুহাতে বারবার দাম বাড়াচ্ছেন
  • 📌 ডিলার ও বিক্রেতারা দাবি করছেন, সরকারি দামে এলপিজি পাওয়ার জন্য তাদের ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে
  • 📌 ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেছেন, দাম বাড়ানোর পরও নির্ধারিত দামে পণ্য পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ (২৯ অক্টোবর) এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের গণশুনানি করবে। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা, যা অক্টোবরে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়েছে। এবার আবারও ৩০০ টাকা বেশি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর পিছনে সিন্ডিকেটের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সিলিন্ডার কিনতে আসা এক ভোক্তা বলেছেন, ‘আগে আমাদের সিন্ডিকেট ঠিক করতে হয়। জায়গামতো ঠিক করতে পারলেই দোকানদার কম দামে পেলে কম দামে বিক্রি করতে পারবেন।’ সিন্ডিকেটের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে খুচরা বিক্রেতার হাতে পৌঁছায় সিলিন্ডার। এ প্রক্রিয়ায় চলে নানা ধরনের কমিশন বাণিজ্য, যার কারণে সিলিন্ডারের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়।

ডিলার ও বিক্রেতাদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের দাবি, ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। এক বিক্রেতা বলেছেন, ‘আমাদের ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। অনেক সময় গাড়ি আসে না। তখন অন্যভাবে সিলিন্ডার আনতে হয়। সেখানেও আমাদের গাড়ি পাঠাতে হয়। সব মিলিয়ে কিছুটা বাড়তি টাকা নিতে হচ্ছে। সামনে শীত আসছে। শীতের সময় একটা সংকট থাকে। তখন দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে।’

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) দাবি করেছে, নানা অজুহাতে আবারও দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেছেন, ‘দাম বাড়ালেও আমরা নির্ধারিত দামে পণ্য পাব কি না, তা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, এর আগেও দাম বাড়ানোর পর নির্ধারিত দামে পণ্য পাওয়া যায়নি। তখন ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে সামনে আনেন।’

"দাম বাড়ালেও আমরা নির্ধারিত দামে পণ্য পাব কি না, তা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, এর আগেও দাম বাড়ানোর পর নির্ধারিত দামে পণ্য পাওয়া যায়নি। তখন ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে সামনে আনেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারা দেশে এলপি গ্যাস বিক্রয়)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম নাজের হোসাইন (ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট), ভোক্তা, বিক্রেতা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি (সিলিন্ডার), ২০০ টাকা (বাড়তি দাম), ৩০০-৪০০ টাকা (সিন্ডিকেটের কারণে দাম বাড়ে), ১ হাজার ৮৩৭ টাকা (সরকারি নির্ধারিত দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖