📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফলের দামে বেড়ে গেল বিলাসিতা: সরকারের করব্যবস্থা ও নাগালছাড়া মানুষের পুষ্টি

ফলের দামে বেড়ে গেল বিলাসিতা: সরকারের করব্যবস্থা ও নাগালছাড়া মানুষের পুষ্টি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে ফলের দাম ক্রমাগত বেড়ে গিয়ে বিলাসিতার স্তরে উঠেছে। সরকারের করব্যবস্থা ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ফল খাওয়ার পুষ্টিগত গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২০ সালে ১০০ টাকার ফল থেকে সরকার পেত ৮৯ টাকা কর, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা

বাংলাদেশে ফলের দামের ক্রমাগত বৃদ্ধি মানুষের পুষ্টির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বাজারে ফল খাওয়ার দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে এখন তা বিলাসিতার স্তরে উঠেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সরকারের করব্যবস্থা ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ফল খাওয়ার পুষ্টিগত গুরুত্ব কমে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২০ সালে এক কেজি মাল্টার দাম ছিল ১২০-১৫০ টাকা, এখন তা ৩৫০-৩৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দাম ছিল ৪২০-৪৫০ টাকা কেজি।
  • 📌 ২০২০ সালে এক হালি সাগর কলার দাম ছিল ২০-২৫ টাকা, এখন তা ৪০-৫০ টাকা। চায়ের দোকানে একটি কলা কিনতে হয় ১৫ টাকা।
  • 📌 সরকারের করব্যবস্থা ও শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ফল খাওয়ার পুষ্টিগত গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১০০ টাকার ফল থেকে সরকার পেত ৮৯ টাকা কর, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা।
  • 📌 ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ফল আমদানিতে শুল্ক-করকাঠামো বিবেচনা করে তাজা ফল বিলাসজাতীয় পণ্যের শ্রেণিতে ফেলা হয়েছে।
  • 📌 বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, ফলের কর কমানোর বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে কাজ চলছে।
  • 📌 পুষ্টিবিদ অধ্যাপক এস কে রায় বলেছেন, নিম্ন আয়ের মানুষ মাছ, মাংস, ডিম কম খাচ্ছে, ফলে ভিটামিন-মিনারেলের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের বাজারে ফলের দামের ক্রমাগত বৃদ্ধি স্বল্প আয়ের মানুষের পুষ্টির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ডেঙ্গু রোগীর পথ্য হিসেবে মাল্টার চাহিদা বেশি হলেও, দামের কারণে তা অনেকের নাগালছাড়া হয়ে পড়েছে। রাজধানীর বাজারে ২০২০ সালের জুলাইয়ে এক কেজি মাল্টার দাম ছিল ১২০-১৫০ টাকা। এখন তা ৩৫০-৩৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দাম আরও চড়া ছিল, কেজি দাম ছিল ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাল্টা, আপেল, নাশপাতি ও আঙুরের ওপর বছর বছর শুল্ক-কর বাড়িয়েছে সরকার। ফলে সরকারের আয় বেড়েছে, কিন্তু এসব ফল মানুষের নাগালছাড়া হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশি ফল যখন দামি হয়েছে, তখন দেশি ফল আর সস্তা থাকেনি। দেশি ফলের দামও বেড়েছে। যেমন, এক হালি সাগর কলা ২০২০ সালের জুলাইয়ে ছিল ২০-২৫ টাকা। এখন তা ৪০-৫০ টাকা। আকারে ছোট হলে দাম কিছুটা কমে পাওয়া যায়, তবে চায়ের দোকান থেকে একটি সাগর কলা কিনে খেতে লাগে ১৫ টাকা।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রথম আলোতে গত ২১ সেপ্টেম্বর ফলের দাম নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শিরোনাম ছিল ‘এখন একটি মাল্টা ১০০ টাকা, একটি ডাব ১৫০-২২০’। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ৩ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ফল ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক করে। বৈঠকের পর ফলের শুল্ক-করভার এবং দাম নিয়ে একটি সুপারিশমূলক প্রতিবেদন তৈরির জন্য ট্যারিফ কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনটি গত মঙ্গলবার জমা দেওয়া হয়েছে।

ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশের তাজা ফল আমদানিতে শুল্ক-করকাঠামো বিবেচনা করা হলে দেখা যায়, তাজা ফল বিলাসজাতীয় পণ্যের শ্রেণিতে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে আপেল, কমলা, আঙুর, নাশপাতি, আনারস ইত্যাদি ফলে আমদানি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) ইত্যাদি মিলিয়ে মোট করভার ছিল ৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফলে শুল্ক-কর ছিল ৮৯ টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ শতাংশ। মানে হলো, ১০০ টাকার ফলে ১২২ টাকা পায় সরকার।

"বিষয়টি (ফলের কর কমানো) নিয়ে সরকারি পর্যায়ে কাজ চলছে। এর বেশি আপাতত কিছু বলতে পারছি না।"

— বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির

পুষ্টিবিদ ও বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন অধ্যাপক এস কে রায় বলেছেন, নিম্ন আয়ের মানুষ মাছ, মাংস, ডিম কম খাচ্ছে, ফলে ভিটামিন-মিনারেলের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, একজন মানুষের দৈনিক ৪০০ গ্রাম ফল খাওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশে মানুষ ফল খেতে পায় অনেক কম।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ঢাকা বাজার, চায়ের দোকান)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পুষ্টিবিদ অধ্যাপক এস কে রায়, ট্যারিফ কমিশন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০-১৫০ টাকা (২০২০ সালে মাল্টার দাম), ৩৫০-৩৮০ টাকা (বর্তমান মাল্টার দাম), ৪২০-৪৫০ টাকা (গত সেপ্টেম্বরে মাল্টার দাম), ৮৯ শতাংশ (২০২০ সালে করভার), ১২২ শতাংশ (বর্তমান করভার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖