📌 বিশেষ কোনো চেষ্টা ছাড়াই দৈনন্দিন নড়াচড়া বা আনুষঙ্গিক ব্যায়ামের মাধ্যমে বসে থাকার সময় কমিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করা যায়। নিউজিল্যান্ডের গবেষকদের মতে, পা নাড়ানো, ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন বা ছোটখাটো নড়াচড়া দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার তুলনায় বেশি ক্যালোরি পোড়ায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
দৈনন্দিন জীবনে নিষ্ক্রিয় থাকার ফলে স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আনুষঙ্গিক ব্যায়াম বা ‘নন-এক্সারসাইজ অ্যাক্টিভিটি থার্মোজেনেসিস’ (এনইএটি) এর মাধ্যমে সহজেই স্বাস্থ্য উন্নত করা সম্ভব। নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির রিসার্চ ফেলো অনন্ত নারায়ণন বলেছেন, বসে থাকার সময় পায়ে টোকা দেওয়া, ভঙ্গি পরিবর্তন করা বা কাঁধ ঘোরানো সহ ছোটখাটো নড়াচড়াও দৈনন্দিন ব্যায়ামের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনুষঙ্গিক ব্যায়াম হলো ইচ্ছাকৃত ব্যায়াম ছাড়াই যে নড়াচড়া আমরা দৈনন্দিন জীবনে করি, যেমন: বসে থাকার সময় পায়ে টোকা দেওয়া, ভঙ্গি পরিবর্তন করা বা কাঁধ ঘোরানো।
- 📌 পা নাড়ানো দাঁড়িয়ে থাকলে ১৬ শতাংশ বেশি শক্তি খরচ করে এবং রক্তনালীর কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
- 📌 দৈনন্দিন কার্যকলাপের উচ্চ মাত্রা দিনে ১১ ঘণ্টার বেশি বসে থাকার সাথে সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
- 📌 ৪ মিনিটের সংক্ষিপ্ত শারীরিক কার্যকলাপ দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে সৃষ্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
- 📌 গৃহস্থালির কাজকর্ম যেমন রান্না, বাগান করা বা ঘর পরিষ্কার করা আনুষঙ্গিক ব্যায়ামের একটি অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বব্যাপী গবেষণায় দেখা গেছে, নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন জীবনে ছোটখাটো নড়াচড়া বা আনুষঙ্গিক ব্যায়ামের মাধ্যমে সহজেই স্বাস্থ্য উন্নত করা যায়। নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির রিসার্চ ফেলো অনন্ত নারায়ণন বলেন, “ভঙ্গি পরিবর্তন করা, কাঁধ ঘোরানো বা পায়ের পাতা বাঁকানোর মতো ছোটখাটো নড়াচড়াও এর মধ্যে গণ্য হয়।”
গবেষণায় দেখা গেছে, পা নাড়ানো বা চঞ্চল থাকার চেষ্টা করলে পেশি সঞ্চালন বাড়ে এবং এর ফলে স্থির হয়ে বসে থাকার তুলনায় বেশি ক্যালোরি পোড়ে। নারায়ণন আরও বলেন, “কিছু পূর্ববর্তী গবেষণা থেকে জানা যায় যে, পা নাড়াচাড়া করা রক্তনালীর কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।” একইভাবে, স্থির হয়ে বসে থাকার তুলনায় অভ্যাসবশত পা নাড়ানো প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি শক্তি খরচ করে।
২০২৪ সালের একটি বড় গবেষণায় যুক্তরাজ্যের ২২ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছিল। গবেষকরা দেখেছেন যে, দৈনন্দিন কার্যকলাপের উচ্চ মাত্রা দিনে ১১ ঘণ্টার বেশি বসে থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রশমিত করতে পারে। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র চার মিনিটের সংক্ষিপ্ত ও আকস্মিক শারীরিক কার্যকলাপ দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে সৃষ্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
"কিছু পূর্ববর্তী গবেষণা থেকে জানা যায় যে, পা নাড়াচাড়া করা রক্তনালীর কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে,
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনন্ত নারায়ণন (রিসার্চ ফেলো)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মিনিট (পড়ার সময়), ১৬ শতাংশ (শক্তি খরচ), ১১ ঘণ্টা (বসে থাকা), ২২ হাজার (গবেষণায় অংশগ্রহণকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!