📌 সরকার তিন জেলায় (ভোলা, চট্টগ্রাম, নরসিংদী) নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। বছরে ২৭ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশীয় উৎপাদন বাড়বে এবং আমদানি নির্ভরতা কমবে
দেশীয় সার উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে মোট ২৭ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি এবং নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউএফ-৮৫ উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
- 📌 চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নতুন কারখানা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
- 📌 নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউএফ-৮৫ উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 সরকার প্রতি মেট্রিক টন ইউরিয়া সারে ২৩ হাজার টাকা, টিএসপি সারে ৪৯ হাজার ১৭০ টাকা এবং ডিএপি সারে ৯৮ হাজার ৮৪০ টাকা ভর্তুকি প্রদান করে আসছে।
- 📌 বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ২৬ লাখ মেট্রিক টন, কিন্তু উৎপাদন হয়েছিল মাত্র ১১ লাখ ৭৩২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন।
- 📌 নতুন কারখানাগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশীয় সার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে এবং কৃষি খাতে সরবরাহ জোরদার হবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশীয় সার উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং আমদানি নির্ভরতা কমবে। ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কারখানাটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ইউরিয়া উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিসিআইসির টিএসপি কমপ্লেক্সে কাঁচামালের সংকট এবং প্ল্যান্টের সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। নতুন কারখানা স্থাপিত হলে টিএসপি সার উৎপাদনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসির অব্যবহৃত জায়গায় বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউএফ-৮৫ উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান শিল্প অবকাঠামো ও অব্যবহৃত জমি কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা বলেছেন, ‘দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। ভোলায় প্রস্তাবিত ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ, কারিগরি প্রস্তুতি, অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।’
"দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণে দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। ভোলায় প্রস্তাবিত ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণের কাজ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা, চট্টগ্রাম, নরসিংদীর পলাশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বাবুল মিঞা (বিসিআইসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ লাখ মেট্রিক টন (বছরে উৎপাদনের লক্ষ্য), ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন (দৈনিক ইউরিয়া), ৪ লাখ মেট্রিক টন (বছরে টিএসপি), ২৪ হাজার মেট্রিক টন (বছরে ইউএফ-৮৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!