📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপিজি দামের লাগামহীন বৃদ্ধি: সরকারকে দ্রুত আমদানি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপের আহ্বান

এলপিজি দামের লাগামহীন বৃদ্ধি: সরকারকে দ্রুত আমদানি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপের আহ্বান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক মাসে ৪৩৫ টাকা বেড়েছে। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০-৬০০ টাকা বেশি দামে ভোক্তারা এলপিজি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণহীনতা ও একচেটিয়া বেসরকারি খাতের কারণে সাধারণ নাগরিকদের অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সরকারকে বিপিসি মাধ্যমে এলপিজি আমদানি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন

দেশে এলপিজি সিলিন্ডারের দামের লাগামহীন বৃদ্ধি সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রায় চাপ সৃষ্টি করছে। এক মাসের মধ্যে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪৩৫ টাকা বেড়ে ২২৩ টাকা হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০-৬০০ টাকা বেশি দামে ভোক্তারা এলপিজি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সোমবার ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়েছে। এর আগে ৪ অক্টোবর একলাফে দাম বাড়ানো হয়েছিল ২১২ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক মাসে ৪৩৫ টাকা বেড়েছে** — ২১২ টাকা থেকে ২২৩ টাকা হয়েছে
  • 📌 **সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০-৬০০ টাকা বেশি দামে এলপিজি পাচ্ছেন ভোক্তারা**
  • 📌 **৮০ শতাংশ এলপিজি ব্যবহৃত হয় রান্নার কাজে, বাকি ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে**
  • 📌 **দেশে এলপিজির মোট চাহিদার মাত্র ১ শতাংশ আসে সরকারি খাত থেকে, বাকি ৯৯ শতাংশ বেসরকারি খাত**
  • 📌 **৭টি বড় কোম্পানি ৮৬ শতাংশ এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে**
  • 📌 **বিইআরসি দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ নয়, শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখেছে**
  • 📌 **মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ও ইরান যুদ্ধের কারণে এলপিজির আমদানি খরচ বেড়েছে**
  • 📌 **ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের এলপিজি দাম অনেক বেশি**

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সোমবার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়েছে। এর আগে ৪ অক্টোবর একলাফে দাম বাড়ানো হয়েছিল ২১২ টাকা। এর অর্থ এক মাসের মধ্যে বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৪৩৫ টাকা। দেশে বর্তমানে এলপিজির গ্রাহক প্রায় এক কোটি। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় রান্নার কাজে। বাকি ব্যবহৃত হয় মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বাস্তবতা হলো, শুধু শহর নয়, এখন গ্রামের অনেক পরিবারও রান্নার জন্য এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরশীল।

বিইআরসি যে প্রক্রিয়ায় এবার এলপিজির দাম বাড়িয়েছে, সেটাকে মোটেই স্বচ্ছ বলা যাবে না। গত বৃহস্পতিবার বিইআরসিতে দাম নির্ধারণে শুনানি হয়। রোববারের মধ্যে শুনানি–পরবর্তী মতামত দিতে বলা হয়েছিল। সোমবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দাম বাড়ানোর কথা জানানো হয়। প্রশ্ন হলো, শুনানির পর এত দ্রুত কীভাবে সবার মতামত মূল্যায়ন করল বিইআরসি?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিইআরসি ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা চিন্তা করেছে, ভোক্তার ওপর মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত বিবেচনায় নেয়নি। দেশে চার বছরের বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে। এলপিজির লাগামহীন দাম মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলছে। মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি ও আয় না বাড়ায় বেশির ভাগ পরিবারের প্রকৃত আয় কমে গেছে। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যে অস্থিরতা ও সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাতে করে আমদানিনির্ভর দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে। অন্যান্য জ্বালানির সঙ্গে বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম ও জাহাজভাড়া বেড়েছে। কিন্তু ভারত–পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় এলপিজির দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই কম।

দেশে এলপিজির মোট চাহিদার মাত্র ১ শতাংশ আসে সরকারি খাত থেকে। বাকি ৯৯ শতাংশ আসে বেসরকারি খাত থেকে। দেখা যাচ্ছে যে সাতটি বড় কোম্পানি ৮৬ শতাংশ এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এই একচেটিয়া ব্যবস্থায় এলপিজির বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছে। অতীতে বহুবার দেখা গেছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর বিইআরসি দাম বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এলপিজির বাজার পুরোটা বেসরকারি খাতের ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং এই খাতে যে হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানি একচেটিয়াত্ব তৈরি করেছে, তার ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ নাগরিকেরা।

"বিইআরসি ব্যবসায়ীদের সুরক্ষা চিন্তা করেছে, ভোক্তার ওপর মূল্যবৃদ্ধির অভিঘাত বিবেচনায় নেয়নি। এলপিজির বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ায় নাগরিকদের দুর্ভোগও বাড়ছে না, অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশেষত ঢাকা, গ্রামাঞ্চল)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি/সংগঠন: ভোক্তা, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), বেসরকারি এলপিজি আমদানিকারক কোম্পানিগুলো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩৫ টাকা (দাম বৃদ্ধি), ২২৩ টাকা (বর্তমান দাম), ৪০০-৬০০ টাকা (সরকারি দামের পার্থক্য), ৮০% (রান্নায় ব্যবহৃত), ১% (সরকারি খাতের সরবরাহ), ৯৯% (বেসরকারি খাতের সরবরাহ), ৮৬% (৭টি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖