📌 খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় আইন লঙ্ঘন ও চাকরিতে অনিয়মে জড়িত পাঁচ শিক্ষকসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে তিনজন অধ্যাপক, দুজন সহকারী অধ্যাপক, একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও একজন অফিস সহায়ক
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইন লঙ্ঘন ও চাকরিতে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত পাঁচ শিক্ষকসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন, ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ দাখিল এবং নিয়োগে বয়সসংক্রান্ত অনিয়মসহ অভিযোগের তদন্ত শেষে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭ জন চাকরিচ্যুত**: পাঁচ শিক্ষকসহ একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও একজন অফিস সহায়ককে চাকরি হারাতে হয়েছে
- 📌 **অভিযোগের তদন্ত**: বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন, ভুয়া অভিজ্ঞতা ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়
- 📌 **সাময়িক বরখাস্তের ইতিহাস**: সাতজনই দীর্ঘদিন ধরে সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন, কিন্তু ব্যাখ্যা না দেওয়ায় চাকরি হারান
- 📌 **সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত**: বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভায় পাঁচ শিক্ষকসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন, চাকরিতে যোগদানের সময় ভুয়া অভিজ্ঞতার সনদ দাখিল এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তের পর এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
চাকরিচ্যুত পাঁচ শিক্ষকের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম) বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত তলাপাত্র, এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ইএসই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিবিড় মণ্ডল, মানবিক ও ব্যবসায় বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসরুরা মোস্তফা এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহরিয়ার রোমান। এছাড়াও ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রি ও অফিস সহায়ক সত্যজিৎ কুমার দত্তকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমান ভূঞা জানান, সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আগে থেকেই অভিযোগ থাকায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে অনেকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। কেউ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কেউ দেননি। পরে সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঁচ শিক্ষক, একজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
"বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৫তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাতজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অভিযোগ থাকায় সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে অনেকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। কেউ ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কেউ দেননি। পরে সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাঁচ শিক্ষক, একজন কর্মকর্তা ও একজন কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, ড. সুব্রত তলাপাত্র, নিবিড় মণ্ডল, ড. মাসরুরা মোস্তফা, শাহরিয়ার রোমান, নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রি, সত্যজিৎ কুমার দত্ত, মো. আনিছুর রহমান ভূঞা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন চাকরিচ্যুত, ১১৫তম সিন্ডিকেট সভা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!