📌 বাংলাদেশের প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় নেগোশিয়েটর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। কপ৩১-এর প্রস্তুতিতে জলবায়ু আলোচনার কৌশলগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকার বিআইআইএসএস-এ অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশের প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় নেগোশিয়েটর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। কপ৩১-এর প্রস্তুতিতে জলবায়ু আলোচনার কৌশলগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঢাকার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ অনুষ্ঠিত এই দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ২৮ অক্টোবর শেষ হয়। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় নেগোশিয়েটর প্রশিক্ষণ** সম্পন্ন হয়েছে কপ৩১-এর প্রস্তুতিতে, যা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- 📌 **২৭ অক্টোবর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে** প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব **মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ** এবং সভাপতিত্ব করেন **মনিরা সুলতানা**।
- 📌 **কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের** জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রশমন, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা, জলবায়ু কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- 📌 **অভিজ্ঞ নেগোশিয়েটরদের নেতৃত্বে** বিষয়ভিত্তিক দল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সহযোগী সদস্যরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
- 📌 **সহযোগী অংশীদার** হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, ব্রিটিশ হাইকমিশন, গেইন, কল, হেলভেটাস, সিপিআরডি এবং সেভ দ্য চিলড্রেন।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের প্রথম আন্তঃমন্ত্রণালয় নেগোশিয়েটর প্রশিক্ষণ কর্মসূচি **২৭ অক্টোবর** থেকে শুরু হয়ে **২৮ অক্টোবর** বুধবার ঢাকার বিআইআইএসএস-এ সমাপ্ত হয়। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে কপ৩১-এর প্রস্তুতি নেওয়া। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ (এনআইইসিসি) আয়োজন করে এই কর্মসূচি। এতে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রশমন, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা, জলবায়ু কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব **মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ**। সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব **মনিরা সুলতানা**। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্টের (নাকম) নির্বাহী পরিচালক **ড. এস. এম. মুনজুরুল হান্নান খান**, বিআইআইএসএসের মহাপরিচালক **মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান**, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) **মুহাম্মদ সোলায়মান হায়দার**, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কোঅপারেশন **লিসা-তানিতা গ্রেমিঙ্গার**।
কর্মসূচিতে জলবায়ু অর্থায়নের নতুন সম্মিলিত পরিমাণগত লক্ষ্য, অভিযোজন, সহনশীলতা, ক্ষয়ক্ষতি, প্রশমন, কার্বন বাজার ও ন্যায্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও জলবায়ু কূটনীতি, কৌশলগত জোট গঠন, বাংলাদেশের আলোচনার অবস্থান নির্ধারণ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং নারী, শিশু ও তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। অনুশীলনভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জলবায়ু দরকষাকষির বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
"আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে শুধু অংশগ্রহণ নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা রাখা এবং দেশের জন্য বাস্তব সুফল অর্জনই হওয়া উচিত বাংলাদেশের সাফল্যের মাপকাঠি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ (অতিরিক্ত সচিব), মনিরা সুলতানা (যুগ্মসচিব), ড. এস. এম. মুনজুরুল হান্নান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (উদ্বোধনী অনুষ্ঠান), ২৮ অক্টোবর (সমাপনী অনুষ্ঠান), জি৭৭ ও চীন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!