📌 এলএনজি আমদানি করে জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বিদ্যুতায়নের দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তৈরি পোশাক খাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুযোগ তুলে ধরা হয়েছে
সরকার এলএনজি আমদানির মাধ্যমে চলমান জ্বালানি সংকট সমাধানের চেষ্টা করলেও এটি স্থায়ী সমাধান নয় বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, এলএনজি আমদানির ফলে ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম আবারও বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। তাই দীর্ঘমেয়াদে গ্যাসভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে বিদ্যুতায়নের দিকে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এলএনজি আমদানি করে জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে মত সিপিডির গবেষণা পরিচালকের
- 📌 বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে কারখানায় স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 তৈরি পোশাক খাতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সম্ভাব্য ৪ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয় সম্ভব
- 📌 পোশাক খাতে বার্ষিক ২৫ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুযোগ রয়েছে
- 📌 বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি বাস্তবায়নে প্রয়োজন ১৩ হাজার ২০৯ কোটি টাকার বিনিয়োগ
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত সিপিডির সংলাপে খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এলএনজি আমদানির মাধ্যমে জ্বালানি সংকট সমাধানের চেষ্টা করা হলে ভবিষ্যতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে। তিনি দীর্ঘমেয়াদে গ্যাসভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে বিদ্যুতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, কারখানায় স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে বিকল্প প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন খরচ প্রায় ৪ শতাংশ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব।
তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে আলোচনায় উঠে আসে, দেশের ৩৫০টি কারখানার ওপর পরিচালিত জরিপের ফলাফল। জরিপে দেখা যায়, বার্ষিক ২৫ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। তবে এর জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৩ হাজার ২০৯ কোটি টাকার বিনিয়োগ। জরিপের ফল উপস্থাপন করেন সিপিডির প্রোগ্রাম সহযোগী সামি মোহাম্মদ।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক খাতের যন্ত্রপাতির মধ্যে ৮৫ শতাংশই সেলাই বিভাগে ব্যবহৃত হয়। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সুযোগ মাত্র ৩ শতাংশ। অন্যদিকে কাটিং বিভাগ মোট যন্ত্রপাতির মাত্র ৫ শতাংশ হলেও এখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মোট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ২৭ শতাংশের বেশি অর্জন সম্ভব। ওয়াশিং ও ডায়িং বিভাগ সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এ খাতে বৈদ্যুতিক রূপান্তর বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে গ্যাসের বিকল্প চাহিদা মেটানো সম্ভব নয় বলে জানান খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।
"এলএনজি আমদানি করে জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। বিদ্যুতায়নের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাখালী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ শতাংশ, ১০ শতাংশ, ১৭ শতাংশ, ২৫ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা, ৩৫০টি কারখানা, ১৩ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!