📌 ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও তেল ছাড়ার ঘোষণা দিলে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম ৪% কমে যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্যোগের প্রশংসা করেন
বিশ্ববাজারে জ্বালানি দামের অস্থিরতা কমাতে জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলে ডিজেলের দামে উল্লেখযোগ্য হ্রাস পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চলা তীব্র অস্থিরতা মোকাবেলায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়
- 📌 ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৫ কোটি ব্যারেল ডিজেল, আইইএ সদস্য দেশগুলো ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছাড়বে
- 📌 ইউরোপের বেঞ্চমার্ক ডিজেল ফিউচারসের দাম প্রতি মেট্রিক টনে ৯০ ডলারের বেশি কমে ৪ শতাংশ হ্রাস পায়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল ফিউচারসের দাম প্রতি গ্যালন ৪.৪৪৯১ ডলারে নেমে ৪ শতাংশ কমে যায়
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ইউরোপ তাদের মজুত ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সম্মত হয়েছে
- 📌 জি-৭ সদস্য দেশগুলো পরস্পর জ্বালানি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না
📰 বিস্তারিত
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চলা অস্থিরতা মোকাবেলায় জি-৭ দেশগুলো জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তে জি-৭ সদস্য দেশগুলো, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সরকারগুলো জড়িত। ফ্রান্সের প্রস্তাবের আওতায়, ইউরোপীয় দেশগুলো ৫ কোটি ব্যারেল ডিজেল এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সদস্য দেশগুলো ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।
ইউরোস্ট্যাটের হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট জরুরি ডিজেল মজুতের প্রায় ১৭ শতাংশের সমান এই ৫ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল ফিউচারসের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে প্রতি গ্যালন ৪.৪৪৯১ ডলারে নেমেছে। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপের বেঞ্চমার্ক ডিজেল ফিউচারসের দাম প্রতি মেট্রিক টনে ৯০ ডলারের বেশি হ্রাস পেয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হয়ে টানা চার মাস চলবে। বিশেষ করে প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ডিজেল সরবরাহ করা হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই উদ্যোগকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। আসন্ন নভেম্বর ৩ তারিখের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন প্রশাসন দেশের বাজারে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা করছে।
ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সন্তোষ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ইউরোপ এইমাত্র তাদের বিপুল মজুত থাকা ডিজেল তেলের বড় একটি অংশ ছাড়তে সম্মত হয়েছে।’ এর আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, মার্কিন প্রশাসন জার্মানি ও ফ্রান্সকে তাদের জরুরি ডিজেল মজুত কমাতে চাপ দিয়েছিল এবং অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছিল। তবে জি-৭ এর বর্তমান বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সদস্য দেশগুলো পরস্পরের মধ্যে জ্বালানি পণ্য রপ্তানিতে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা থেকে বিরত থাকবে।
"ইউরোপ এইমাত্র তাদের বিপুল মজুত থাকা ডিজেল তেলের বড় একটি অংশ ছাড়তে সম্মত হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, লন্ডন, জার্মানি, ফ্রান্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি ব্যারেল, ৫ কোটি ব্যারেল, ১৭ শতাংশ, ৪ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!