📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সমুদ্রের নোনাপানিতে কীভাবে বেঁচে থাকে তিমি, সিল ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর রহস্য

সমুদ্রের নোনাপানিতে কীভাবে বেঁচে থাকে তিমি, সিল ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর রহস্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সমুদ্রের ৯৭ শতাংশ পানি লবণাক্ত হলেও তিমি, সিল ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীরা কীভাবে শরীরে পানির ভারসাম্য রাখে? মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন আবিষ্কার জানায় এই প্রাণীদের পানিশূন্যতা মোকাবেলার তিনটি মূল কৌশল

সমুদ্রের নোনাপানি পান করে কীভাবে বেঁচে থাকে তিমি, সিল, ডলফিন ও ওয়ালরাস? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের জলজ প্রাণী গবেষক মার্টিন গ্রোসেল। পৃথিবীর প্রায় ৯৭ শতাংশ পানি লবণাক্ত হলেও এসব সামুদ্রিক প্রাণীরা কীভাবে শরীরের পানির ভারসাম্য রাখে, তার পেছনে রয়েছে বিজ্ঞানের অদ্ভুত কৌশল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সমুদ্রের পানি শরীর থেকে পানি শোষণ করে — অসমোসিস প্রক্রিয়ায় শরীর পানিশূন্য হয়ে যায়
  • 📌 মাছ ফুলকার, তিমি ও সিল কিডনি, পাখি চোখের গ্রন্থি — প্রত্যেকের আলাদা পদ্ধতি লবণ বের করে
  • 📌 মাংসাশী প্রাণীরা শিকার থেকে সরাসরি পানি পায় — তাই পানির দরকার কম
  • 📌 ম্যানাটি ও হুডেড সিলের বাচ্চারা মিষ্টি পানি বা বরফ খেয়ে পানির চাহিদা মেটায়
  • 📌 মানুষের মতো এদের শরীরে লবণ বের করার ক্ষমতা নেই — তাই সমুদ্রসৈকতে পানি নিয়ে যাওয়া জরুরি

📰 বিস্তারিত

সমুদ্রের পানি মানুষের শরীরের তুলনায় অনেক বেশি লবণাক্ত। এই লবণ ঘনত্বের কারণে অসমোসিস প্রক্রিয়ায় শরীরের পানি বাইরে চলে যায় — মরুভূমিতে থাকার মতোই শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। কিন্তু তিমি, সিল, ডলফিন ও ওয়ালরাসের মতো প্রাণীরা কীভাবে এই সমস্যা মোকাবেলা করে? গবেষকদের মতে, এদের শরীরে পানির ভারসাম্য রাখার তিনটি মূল কৌশল রয়েছে:

১. **লবণ বের করার বিশেষ ক্ষমতা**: মাছেরা ফুলকারের মাধ্যমে অতিরিক্ত লবণ বের করে দেয়। কিন্তু ফুলকাহীন প্রাণীদের জন্য কিডনি কাজ করে — তারা ঘন প্রস্রাবের মাধ্যমে লবণ ছেঁকে ফেলে। সামুদ্রিক পাখিদের চোখের ওপরে লবণ গ্রন্থি থাকে, যা অতিরিক্ত লবণ বের করে। কচ্ছপের চোখ থেকে যে পানি পড়ে, তা আসলে শরীর থেকে লবণ বের করার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ইগুয়ানা হাঁচি দিয়ে আর কুমির জিবের মাধ্যমে লবণ বের করে দেয়।

২. **শিকার থেকে সরাসরি পানি পাওয়ার কৌশল**: অধিকাংশ সামুদ্রিক প্রাণী মাংসাশী। তারা মাছ বা ক্রিল খেয়ে শিকারের দেহের পানি সরাসরি শরীরে নেয়। ফলে আলাদা করে পানি খাওয়ার দরকার হয় না। এলিফ্যান্ট সিলের ছানারা এমনকি এক ফোঁটা পানি ছাড়া তিন মাস বেঁচে থাকতে পারে!

৩. **মিষ্টি পানি খাওয়ার অভ্যাস**: ম্যানাটি ও হুডেড সিলের বাচ্চারা মিষ্টি পানি বা জমে থাকা বরফ খেয়ে পানির চাহিদা মেটায়। এমনকি মানুষ দেখলে মিষ্টি পানির আশায় কাছাকাছি আসে ম্যানাটি।

"মরুভূমিতে থাকার মতোই সমুদ্রে থাকা — শরীর পানিশূন্য হয়ে যায়। কিন্তু এসব প্রাণীর শরীরে পানির ভারসাম্য রাখার কৌশল মানুষের মতো নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবীর সমুদ্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্টিন গ্রোসেল (মায়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের জলজ প্রাণী গবেষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭ শতাংশ (পৃথিবীর লবণাক্ত পানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖