📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের নতুন উদ্যোগ: এলএনজি টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও দেশীয় উৎপাদনে জোর

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের নতুন উদ্যোগ: এলএনজি টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও দেশীয় উৎপাদনে জোর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধিতে সরকার এলএনজি টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমান দুইটি ভাসমান টার্মিনালের ওপর নির্ভরতা কমাতে আরও দুটি টার্মিনাল স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। সমুদ্র ও স্থলভাগে অনুসন্ধান কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে

দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় বিদ্যমান ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার এলএনজি টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে মাত্র দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু থাকায় কোনো একটি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলে তা গ্যাস সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে বিরূপ প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৃষ্ট সংকটের প্রভাবও এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে গ্যাস সরবরার জন্য এলএনজি আমদানির বিকল্প নেই, তবে অবকাঠামোগত ঘাটতি রয়েছে
  • 📌 বর্তমানে মাত্র দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ
  • 📌 ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার আরও দুটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে
  • 📌 স্থলভাগে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে নতুন টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে
  • 📌 দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে
  • 📌 সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং বিদেশি কোম্পানির সাড়া মিলছে

📰 বিস্তারিত

বর্তমানে দেশে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় বিদ্যমান ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার এলএনজি টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশে এলএনজি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমানে দেশে মাত্র দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কোনো একটি টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলে তা কেবল গ্যাস সরবরাহেই প্রভাব ফেলে না, বরং বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। সম্প্রতি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৃষ্ট সংকটের প্রভাবও এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

সরকার ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে আংশিক সরবরাহ পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। টার্মিনালটির ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার চালু করার প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও এর আগে ধারণা করা হয়েছিল যে পরীক্ষার জন্য টার্মিনালটি ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে, যা আবার সরবরাহ ব্যাহত করবে। তবে বর্তমানে আলোচনা চলছে যে টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ না করেও বয়লারটি চালু করা সম্ভব কি না। যদি তা করা যায়, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য ইতিবাচ্য প্রভাব পড়বে। একইসঙ্গে সরকার এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো বিঘ্ন না ঘটে তা নিশ্চিত করতে বিকল্প জাহাজ প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জাহাজ আসা অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি টার্মিনাল বন্ধ থাকাকালীন সময়ে সরবরাহকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করতে কিছু পরিবর্তন করতে হয়েছে। টার্মিনাল পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে নতুন করে সমন্বয় প্রক্রিয়া শুরু হবে। সরকার ইতোমধ্যে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এছাড়া স্থলভাগে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে নতুন টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আনতে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এলএনজি টার্মিনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। সরকার মনে করছে, শুধু টার্মিনালের সংখ্যা বৃদ্ধি নয়, বরং গ্যাস আমদানির উৎস, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, স্পট মার্কেটের ওপর নির্ভরতা, পাইপলাইন অবকাঠামো এবং দেশীয় উৎপাদন—সবকিছুকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম, পরিবহন ব্যয়, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আমদানিনির্ভর জ্বালানিব্যবস্থাকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

"আমরা মনে করছি, ন্যূনতম আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। এতে আমাদের সরবরাহ সক্ষমতা বাড়বে এবং একটি টার্মিনাল কোনো কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও অন্যগুলো দিয়ে সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো সক্ষমতা তৈরি করা, যাতে কোনো আকস্মিক পরিস্থিতি পুরো ব্যবস্থাকে সংকটে ফেলতে না পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরকারের জ্বালানি বিভাগ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ ঘণ্টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖