📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১ নভেম্বর থেকে খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম

১ নভেম্বর থেকে খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক: নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ও অস্থায়ী খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। তবে মিজানুর রহমানের মতো অস্থায়ী বিক্রেতারা এখনও নিবন্ধনের বিষয়ে অবগত নয়

১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেস্তোরাঁ, বেকারি, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১ নভেম্বর থেকে নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। তবে, অস্থায়ী খাবার বিক্রেতাদের মতো মিজানুর রহমানের মতো অনেকের কাছে এ বিষয়ে তথ্য অজানা রয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১ নভেম্বর থেকে খাবার ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন ও লাইসেন্স বাধ্যতামূলক
  • 📌 ২০ বছর ধরে রাস্তায় খাবার বিক্রি করে আসা মিজানুর রহমানের মতো অস্থায়ী বিক্রেতাদেরও এখন নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় কর্তৃপক্ষ
  • 📌 ৩ বছর মেয়াদে লাইসেন্স, পরে নবায়ন করতে হবে
  • 📌 ৪ লাখ ৩০ হাজার স্থায়ী হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং ১০ লাখেরও বেশি অস্থায়ী খাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেশে
  • 📌 নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথমে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনা হবে, পরে অস্থায়ী বিক্রেতাদের

📰 বিস্তারিত

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। তবে, এই নিয়মের আওতায় আসবে এমন সব প্রতিষ্ঠানই নিবন্ধন করতে পারবে না। বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্সের মেয়াদ ৩ বছর এবং এরপর নবায়ন করতে হবে।

বিবিএস'র জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে স্থায়ী হোটেল ও রেস্তোরাঁর সংখ্যা ৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। আর অস্থায়ী, অনানুষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তবে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে বড় ও মাঝারি স্থায়ী খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। পরে অস্থায়ী বিক্রেতাদেরও এর আওতায় আনতে চায় কর্তৃপক্ষ।

মিজানুর রহমান, যিনি ২০ বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেরি করে ভাজাপোড়া বিক্রি করে আসছেন, জানান, তিনি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশনা পাননি। তিনি বলেন, “কেউ আসেনি, আলোচনাও হয়নি। আমরা এখনও জানি না কিভাবে নিবন্ধন করতে হবে।”

"নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কেউ আসে নাই, আলোচনাও হয় নাই।"

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, অস্থায়ী খাবারের দোকানের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানও এখনও নিবন্ধনের বিষয়ে অবগত নয়। তবে, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানান, তারা পর্যায়ক্রমে অস্থায়ী বিক্রেতাদেরও নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায়। তবে, কীভাবে ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁদের নিবন্ধন করা হবে এবং কি কি প্রবিধান থাকবে, এসব বিষয়ে এখনও আলোচনা চলছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (রাজধানী ও অন্যান্য অঞ্চল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর, ২০ বছর, ৩ বছর, ৪ লাখ ৩০ হাজার, ১০ লাখ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖