📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে অবদান রেখে শেষ হলো নাসার সুইফট টেলিস্কোপের অভিযান

২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে অবদান রেখে শেষ হলো নাসার সুইফট টেলিস্কোপের অভিযান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাসার সুইফট টেলিস্কোপ ২০০৪ সাল থেকে মহাবিশ্বের শক্তিশালী গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে ২২ বছর ধরে কাজ করে। বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে কক্ষপথ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার কারণে নাসা আনুষ্ঠানিকভাবে এই টেলিস্কোপের অভিযান বন্ধ ঘোষণা করেছে। টেলিস্কোপটি ২০০০টিরও বেশি বিস্ফোরণ রেকর্ড করে গবেষণার জন্য বিশাল ডেটা ভান্ডার রেখে গেছে

২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের শক্তিশালী গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে অসামান্য অবদান রেখে নাসার ‘নিল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরি’ টেলিস্কোপের মহাকাশ অভিযান আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেছে। বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে কক্ষপথ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার কারণে টেলিস্কোপটি সেফ মোডে চলে গেলে নাসা চূড়ান্তভাবে অভিযান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। এই টেলিস্কোপটি ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হলেও প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এটি ১০ গুণ বেশি সময় সফলভাবে কাজ করে গবেষণার জন্য বিশাল ডেটা ভান্ডার রেখে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নাসার সুইফট টেলিস্কোপ ২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে কাজ করে
  • 📌 টেলিস্কোপটি ২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ করা হলেও প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য তৈরি করা হয়েছিল
  • 📌 ২০০০টিরও বেশি গামা-রে বিস্ফোরণ এবং ১০০০টিরও বেশি সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করে
  • 📌 বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে কক্ষপথ ১৭১ মাইল নিচে নেমে গেলে টেলিস্কোপটি সেফ মোডে চলে যায়
  • 📌 নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক শন ডোম্যাগাল-গোল্ডম্যান বলেছেন, সুইফট ১০ গুণ বেশি সময় কাজ করে অসাধারণ অবদান রেখেছে

📰 বিস্তারিত

মহাবিশ্বের শক্তিশালী গামা-রে বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নাসার ‘নিল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরি’ টেলিস্কোপ। এই টেলিস্কোপটি ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হলেও প্রাথমিকভাবে দুই বছরের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এটি ২২ বছর ধরে সফলভাবে কাজ করে গবেষণার জন্য বিশাল ডেটা ভান্ডার রেখে গেছে। টেলিস্কোপটি গামা-রে বিস্ফোরণ শনাক্ত করে অন্যান্য টেলিস্কোপকে তথ্য পাঠাত এবং নিজের টেলিস্কোপ ঘুরিয়ে বিস্ফোরণের ছবি তুলত। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সুইফটের সময় লাগত প্রায় এক মিনিট।

সুইফট টেলিস্কোপের কর্মজীবনে এটি ২০০০টিরও বেশি গামা-রে বিস্ফোরণ এবং প্রায় ১০০০টিরও বেশি সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করেছে। নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক শন ডোম্যাগাল-গোল্ডম্যান বলেছেন, ‘দুই বছরের প্রাথমিক অভিযানের জন্য তৈরি হলেও সুইফট ১০ গুণ বেশি সময় কার্যকর থেকে দেশের জন্য অসাধারণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছে। এই দীর্ঘ সময়ে সুইফট আমাদের পরিবর্তনশীল মহাবিশ্ব বোঝার অগ্রগতিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে।’

সাম্প্রতিক সময়ে বায়ুমণ্ডলের টান বা ড্র্যাগের কারণে স্যাটেলাইটটি স্থির রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। চলতি বছরের শুরুতে কক্ষপথ উঁচু করার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর মহাকাশযানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। অক্টোবরের শেষের দিকে উচ্চতা ১৭১ মাইল নিচে নেমে এলে বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে টেলিস্কোপটি সেফ মোডে চলে যায় এবং গ্রাউন্ড অপারেটররা এটিকে চূড়ান্তভাবে বন্ধের নির্দেশ পাঠান। মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের মিশনের প্রধান গবেষক এস ব্র্যাডলি সেনকো বলেছেন, সুইফটকে গামা-রে বিস্ফোরণ অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত একটি স্যাটেলাইট হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল।

"দুই বছরের প্রাথমিক অভিযানের জন্য তৈরি হলেও সুইফট ১০ গুণ বেশি সময় কার্যকর থেকে দেশের জন্য অসাধারণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছে। এই দীর্ঘ সময়ে সুইফট আমাদের পরিবর্তনশীল মহাবিশ্ব বোঝার অগ্রগতিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ওয়াশিংটন, মেরিল্যান্ড গ্রিনবেল্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শন ডোম্যাগাল-গোল্ডম্যান (নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক), এস ব্র্যাডলি সেনকো (গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের মিশনের প্রধান গবেষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (অভিযানের দৈর্ঘ্য), ২০০০+ (গামা-রে বিস্ফোরণ), ১০০০+ (সুপারনোভা), ১৭১ মাইল (কক্ষপথের উচ্চতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖