📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি কার্তিক পরামানিক

গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি কার্তিক পরামানিক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কার্তিক পরামানিক ৮০ বছরের বয়সী। গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি তাঁর। তিনি আরও ২০০ গাছ লাগাবেন

কার্তিক পরামানিক ৮০ বছরের বয়সী। গাছ লাগানোর নেশা ছাড়তে পারেননি তাঁর। তিনি আরও ২০০ গাছ লাগাবেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কার্তিক পরামানিক বয়স ৮০ বছর।
  • 📌 তিনি আরও ২০০ গাছ লাগাবেন।

📰 বিস্তারিত

কার্তিক পরামানিক বলেন, দুই বছর আগে মা গীতা রানী প্রামানিক মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবা অনেক ভেঙে পড়েন। শরীরও শক্তি হারাতে থাকে। মাঝেমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কার্তিক বলেন, বাবাকে বলেছিলাম, তোমার আর গাছ লাগানোর দরকার নেই, তোমার হয়ে আমিই লাগাব। কিন্তু তিনি শোনেননি। গাছ লাগানো তাঁর নেশা। এটা তিনি ছাড়তে পারবেন না।

ছোটবেলা থেকেই তিনি বাবার সঙ্গে গাছ লাগান। তিনি জানান, দুই বছর আগে মা গীতা রানী প্রামানিক মারা যাওয়ার পর তাঁর বাবা অনেক ভেঙে পড়েন। শরীরও শক্তি হারাতে থাকে। মাঝেমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সনাতন সেদিন বলেছিলেন, ‘বাবাকে বলেছিলাম, তোমার আর গাছ লাগানোর দরকার নেই, তোমার হয়ে আমিই লাগাব। কিন্তু তিনি শোনেননি। গাছ লাগানো তাঁর নেশা। এটা তিনি ছাড়তে পারবেন না।’

ঝড়-বাতাস উঠলে দৌড়ে গাছের কাছে চলে আসতাম, জড়িয়ে ধরে থাকতাম, যেন ভেঙে না পড়ে। ধু ধু বালুচর এখন সবুজে ছেয়ে গেছে।

১০ বছর বয়সে লাগানো সেই পাকুড়গাছ কার্তিকের কাছে গেলে তিনি প্রতিবারই বাড়ির কাছে শ্যামপুর গ্রামের মোড়ে নিয়ে যান একটি পাকুড়গাছের কাছে।

১০ বছর বয়সে প্রথম এ গাছটি লাগিয়েছিলেন তিনি। বিশাল ছায়াবৃক্ষ হয়ে গাছটি দাঁড়িয়ে আছে তাঁর প্রথম কীর্তির সাক্ষী হয়ে। এর ছায়ায় বসেই চলে গল্প।

স্মৃতিচারণা করেন কার্তিক—একসময় এ এলাকা ছিল ধু ধু বালুতে ভরা। একটু বাতাস বইলেই চোখমুখ বালুতে ভরে যেত। তপ্ত রাস্তায় খালি পায়ে হাঁটা যেত না।

ছোটবেলায় বাবার মুখে শোনা একটি কথা তাঁর মনে গেঁথে আছে। বাবা বলেছিলেন, গয়া-কাশী তীর্থে গিয়ে যে পুণ্য হবে, তার চেয়ে বেশি পুণ্য হবে পথের পাশে ছায়াবৃক্ষ লাগালে। মানুষ প্রার্থনা করবে, পাখপাখালিও প্রার্থনা করবে।

কার্তিক বলেন, ‘সেই কথা শুনেই আমি গাছ লাগাতে শুরু করি। ঝড়-বাতাস উঠলে দৌড়ে গাছের কাছে চলে আসতাম, জড়িয়ে ধরে থাকতাম, যেন ভেঙে না পড়ে। ধু ধু বালুচর এখন সবুজে ছেয়ে গেছে।’

যত দিন শরীর চলে, গাছ লাগিয়ে যাব’ গাছ লাগানোর সুবাদে এলাকায় একটি পাকা সড়কও পেয়েছেন কার্তিক।

২০০৩ সালের ২ ডিসেম্বর প্রথম আলোয় তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর তাঁর খবর ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৭ সালে ঢাকায় তাঁকে কৃষি পদক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তৎকালীন যোগাযোগ উপদেষ্টা। তিনি জানতে চান কার্তিক কী চান। কার্তিক বলেন, ব্যক্তিগত কিছু চান না। মনাকষা থেকে তাঁর বাড়ি পর্যন্ত সাত-আট কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি পাকা করে দিলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

ওই বছরই সড়কটি পাকা করা হয়।

২০১৩ সালে অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি পাঠ্যবইয়ে তাঁকে নিয়ে ছাপা হয় গল্প।

কার্তিক পরামানিক বলেন, ‘এই জীবনে আর কী চাই! যত দিন শরীর চলে, গাছ লাগিয়ে যাব। ছোট ছেলেকে বলে রেখেছি, আমার মৃত্যুর পর তুমি গাছ লাগিয়ে যাবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মনাকষা, শ্যামপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কার্তিক পরামানিক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০, ২০০, ১০
"গয়া-কাশী তীর্থে গিয়ে যে পুণ্য হবে, তার চেয়ে বেশি পুণ্য হবে পথের পাশে ছায়াবৃক্ষ লাগালে। মানুষ প্রার্থনা করবে, পাখপাখালিও প্রার্থনা করবে।"

উদ্ধৃতি: কার্তিক পরামানিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖