📌 চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়ে ১২৭.৩ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৯১.৬৭ কোটি ডলার। এডিবি ও আইডিএ অর্থছাড়ের শীর্ষে রয়েছে
চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়ে ১২৭.৩ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জানিয়েছে, একই সময়ে গত বছরে এই প্রতিশ্রুতি ছিল মাত্র ৯১.৬৭ কোটি ডলার। ফলে বছরের ব্যবধানে বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২৭.৩ কোটি ডলার বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে, যা গত বছরের ৯১.৬৭ কোটি ডলার থেকে ৪০% বেশি
- 📌 আইডিএ ও এডিবি অর্থছাড়ের শীর্ষে রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের জন্য সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে
- 📌 ১০০ কোটি ডলার অর্থায়ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি) ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন প্রকল্পে
- 📌 ৩.৫১ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুদান দিয়েছে জাপান, ৬৬.২৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে ইউরোপীয় দেশসমূহ
- 📌 ১৩৫.১২ কোটি ডলার বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে
📰 বিস্তারিত
ইআরডি জানিয়েছে, বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে বড় অঙ্কের অর্থায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি) প্রায় ১০০ কোটি ডলারের অর্থায়ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি পরিশোধন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে মোট ৬৬.২৩ কোটি ডলারের বিদেশি সহায়তা ছাড় হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ঋণ অনুদান ছাড় করেছে বিশ্বব্যাংক (১৯৬ মিলিয়ন ডলার), এরপর এডিবি (১৬২ মিলিয়ন ডলার), ভারত (১০৪ মিলিয়ন ডলার), চীন (১৪ মিলিয়ন ডলার) এবং রাশিয়া (২০ মিলিয়ন ডলার)।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই সময়ে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৬৫.২৩ কোটি ডলার ছাড় হয়েছে, যার মধ্যে ঋণ ছিল ৫৪.১৭ কোটি ডলার এবং অনুদান ছিল ১১.৫৭ কোটি ডলার। এছাড়াও খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১ কোটি ডলারের অনুদান ছাড় হয়েছে।
বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিদেশি ঋণের আসল হিসেবে ৮৫.৮৯ কোটি ডলার এবং সুদ হিসেবে ৪৯.২৩ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে আসল পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৮১.৬৯ কোটি ডলার এবং সুদ পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৪৬.২৯ কোটি ডলার। ফলে এক বছরে বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
"চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি বেড়েছে। এডিবি ও আইডিএ অর্থছাড়ের শীর্ষে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জ্বালানি অবকাঠামো প্রকল্প: ঢাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২৭.৩ কোটি ডলার (বৈদেশিক সহায়তা প্রতিশ্রুতি), ১০০ কোটি ডলার (আইএসডিবি অর্থায়ন), ৪০% (বৃদ্ধির হার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!