📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিনাজপুরে সার ডিলারদের অনিয়মে বরাদ্দ সার মজুত, কৃষকদের দামে কষ্ট

দিনাজপুরে সার ডিলারদের অনিয়মে বরাদ্দ সার মজুত, কৃষকদের দামে কষ্ট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরে সরকারি সার বরাদ্দের অনিয়মে ডিলাররা গুদামে মজুত করে রাখছেন। অভিযানে জব্দ হয় ৪৫০ মেট্রিক টন সার, ৬ জনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও জরিমানা। কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

দিনাজপুরে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ সার বাজারে সরবরাহ না করে গুদামে মজুত করার অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ২০টিরও বেশি অভিযান চালিয়ে ৩২৭ মেট্রিক টন সার জব্দ করেছেন। অভিযানে জড়িত ৬ জনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা এবং কারাদণ্ড প্রদান করেছে, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) গুদামরক্ষক আকতারুল ইসলামও (৩৫)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দিনাজপুরে ২০টিরও বেশি অভিযানে ৪৫০ মেট্রিক টন সার জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩২৭ মেট্রিক টন গুদাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 ডিলাররা সরকারি সার বরাদ্দের বাইরে মজুত করে রাখছেন, কৃষকদের কাছে সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন
  • 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬ জনের বিরুদ্ধে ১ মাস ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে
  • 📌 দিনাজপুরে ৩০২ জন নিবন্ধিত সার ডিলার ও ৪৫৪ জন নিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতা রয়েছে, কিন্তু ৭০০ জনেরও বেশি নিবন্ধনহীন বিক্রেতা আছেন
  • 📌 সরকারি মূল্যে ১ হাজার ৩৫০ টাকার সার কৃষকদের কাছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

দিনাজপুর জেলায় সরকারি সার বরাদ্দের অনিয়মে কৃষকদের কষ্ট বাড়ছে। জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা গত কয়েক সপ্তাহে দিনাজপুর সদর, কাহারোল, বীরগঞ্জ ও খানসামা উপজেলায় অভিযান চালিয়েছেন। এসব অভিযানে ৩২৭ মেট্রিক টন সার গুদাম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৪৫০ মেট্রিক টন সার জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে বিএডিসির গুদামরক্ষক আকতারুল ইসলামও (৩৫)।

অভিযানের তথ্য থেকে দেখা যায়, ডিলাররা সরকারি সার বরাদ্দের বাইরে মজুত করে রাখছেন। কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, কিছু ডিলার কৃষকদের কাছে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। পরে চাহিদার সুযোগ নিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে। আবার কিছু ডিলার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ফড়িয়াদের কাছে সার বিক্রি করছেন। এই সার হাতবদল হয়ে কৃষক পর্যায়ে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

গত ২৬ আগস্ট দিনাজপুর শহরের পুলহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত হাস্কিং মিলের গুদাম থেকে ২১৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারের মালিক হিসেবে মনোহর নামের এক ব্যক্তির নাম আসে। তিনি দাবি করেন, সারগুলো কাহারোল উপজেলার সোনালী ট্রেডার্সের মালিক নাঈমের। তবে নাঈম মুঠোফোনে জানান, ওই সার তাঁর নয়। মনোহর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে অবৈধভাবে সার মজুতের কথা স্বীকার করেন এবং ১ মাস ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা পান।

দিনাজপুরে নিবন্ধিত সার ডিলারের সংখ্যা ৩০২ জন এবং নিবন্ধিত খুচরা সার বিক্রেতার সংখ্যা ৪৫৪। তবে নিবন্ধনহীন খুচরা বিক্রেতা আছেন আরও ৭০০ জন। সরকার নির্ধারিত মূল্যে ইউরিয়া ও টিএসপি প্রতি বস্তার মূল্য ১ হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি ১ হাজার ১৫০ টাকা ও এমওপি ১ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে ১ হাজার ৩৫০ টাকার সার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

"কোনো কোনো ডিলার কৃষকদের কাছে সরবরাহ কমিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। পরে চাহিদার সুযোগ নিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে।" — কৃষি কর্মকর্তা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দিনাজপুর জেলা (দিনাজপুর সদর, কাহারোল, বীরগঞ্জ, খানসামা উপজেলা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকতারুল ইসলাম (বিএডিসি গুদামরক্ষক), মনোহর (সার মালিক), নাঈম (সোনালী ট্রেডার্স মালিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫০ মেট্রিক টন জব্দকৃত সার, ৩০২ জন নিবন্ধিত ডিলার, ৭০০ জন নিবন্ধনহীন বিক্রেতা, ১ হাজার ৮০০-২ হাজার ৫০০ টাকা বাজার মূল্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖