📌 ইউরোপের পাঁচটি দেশ — জার্মানি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডস — ইউএনএইচসিআর ও আইওএমের সহযোগিতায় বাহ্যিক দেশের সাথে অভিবাসী ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করার উদ্যোগ নিচ্ছে। নিউ ইয়ারের আগেই চূড়ান্তকরণের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাঁচটি দেশ — জার্মানি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডস — বাহ্যিক দেশের সাথে অভিবাসী ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো আইনত বসবাস ছাড়াই ইউরোপে থাকা অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো। নিউ ইয়ারের আগেই এই চুক্তির চূড়ান্তকরণের আশা প্রকাশ করেছেন ইউরোপীয় এই পাঁচটি দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫ ইউরোপীয় দেশের উদ্যোগ**: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসের "গ্রুপ অফ ফাইভ" বাহ্যিক দেশের সাথে অভিবাসী ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করার উদ্যোগ নিচ্ছে।
- 📌 **নিউ ইয়ারের আগেই চূড়ান্তকরণ**: ডেনমার্কের অভিবাসন ও একীভূতকরণ মন্ত্রী মর্টেন বডস্কভ জানান, "আমরা নিউ ইয়ারের আগেই বাহ্যিক ইউএন দেশের সাথে চুক্তির চূড়ান্তকরণের আশা করছি।"
- 📌 **ফেরত কেন্দ্রের উদ্দেশ্য**: অভিবাসীদের "নতুন জীবনের সুযোগ" দেওয়ার কথা বলেছেন মন্ত্রী। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছে।
- 📌 **মানবাধিকার সংকট**: কাউন্সিল অব ইউরোপ এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে বলেছে, এটি "মানবাধিকার লঙ্ঘনের উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি" বহন করছে।
- 📌 **ইউরোপীয় সংসদের নতুন নীতি**: জুনে ইউরোপীয় সংসদ অভিবাসন নীতির সংস্কার অনুমোদন করে, যা অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে চায়।
📰 বিস্তারিত
ইউরোপের পাঁচটি দেশের "গ্রুপ অফ ফাইভ" বাহ্যিক দেশের সাথে অভিবাসী ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ইউরোপে আইনত বসবাস ছাড়াই থাকা অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো। ডেনমার্কের অভিবাসন ও একীভূতকরণ মন্ত্রী মর্টেন বডস্কভ জানান, "আমরা নিউ ইয়ারের আগেই বাহ্যিক ইউএন দেশের সাথে চুক্তির চূড়ান্তকরণের আশা করছি।" তিনি আরও বলেন, "এটি অভিবাসীদের জন্য নতুন জীবনের একটি সুযোগ হতে পারে।"
বিশ্ব অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এই উদ্যোগের সাথে আলোচনা করবে। তবে ইউএনএইচসিআরের একজন মুখপাত্র জানান, সংস্থাটি এই প্রস্তাবের বিস্তারিত জানেনি এবং তাই কোনো মন্তব্য করতে পারছেন না।
গ্রুপ অফ ফাইভের পরবর্তী বৈঠক হবে সেপ্টেম্বর মাসের শেষে জার্মানির মিউনিখে। জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট জানান, "আমরা এই বছর তৃতীয় দেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করার লক্ষ্য রেখেছি, যা ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেবে।"
ইউরোপীয় সংসদ জুন মাসে অভিবাসন নীতির সংস্কার অনুমোদন করে, যা অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে চায়। তবে এই সংস্কারকে সমালোচনা করে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলেছে, এটি শরণার্থীদের জন্য বেসিক অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে। ডেনমার্কের শরণার্থী পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল চার্লট স্লেন্টে বলেন, "ফেরত কেন্দ্রগুলো শুধু কিছু অভিবাসী ফেরত পাঠানোর উপর ফোকাস করবে। এটি মানুষকে আরও বিপজ্জনক পথে যেতে বাধ্য করবে এবং তাদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে।"
"আমরা নিউ ইয়ারের আগেই বাহ্যিক ইউএন দেশের সাথে চুক্তির চূড়ান্তকরণের আশা করছি।"
"এটি অভিবাসীদের জন্য নতুন জীবনের একটি সুযোগ হতে পারে।"
"আমরা এই বছর তৃতীয় দেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করার লক্ষ্য রেখেছি, যা ফেরত কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউরোপের পাঁচটি দেশ (জার্মানি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস) + বাহ্যিক ইউএন দেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মর্টেন বডস্কভ (ডেনমার্কের অভিবাসন ও একীভূতকরণ মন্ত্রী), আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট (জার্মানির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী), চার্লট স্লেন্টে (ডেনমার্কের শরণার্থী পরিষদ সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (ইউরোপীয় দেশ), ৩৫ (মৃত্যুহীন অভিবাসী নৌকা দুর্ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!